ডিজিটাল ভার্সন-১
বই পরিচিতি:
লেখকের
অনবদ্য সৃষ্টি এক একটি গল্প। এই বইয়ে কয়েকটি সেরা গল্প স্থান পেয়েছে। প্রত্যেকটি গল্প
যেন হৃদয়ের প্রতিচ্ছবি হয়ে বাস্তবতার কথা বলে। ধর্ষণের মতো সামাজিক সমস্যার সাথে
সাথে তার সমুচিত শাস্তিও ফুটে উঠেছে এই বইয়ে। সাথে বাবা মায়ের প্রতি সন্তানের ভালোবাসা
এবং একজন গর্ভবতী মায়ের ৯ মাসের কষ্ট,যন্ত্রণা
এবং আগত সন্তানকে নিয়ে হাজারো স্বপ্নের বিন্যাস ঘটেছে এই বইয়ে। সেই সাথে
স্বামী-স্ত্রীর পবিত্র ভালোবাসার সম্পর্ক এবং খুনসুটি ঝগড়ার গল্প বইটিকে অনবদ্য
করে তুলেছে। লেখক শাহারিয়ার নাসিম সমসাময়িক কালে ঘটে যাওয়া সমাজের দুর্বলতা,অপরাধ-প্রবণ ঘটনা এবং ব্যর্থতাকে অত্যন্ত সুনিপুণভাবে উপস্থাপন করেছেন
গল্পের মাধ্যমে। বইটিতে নারী শক্তির নানা দিক ফুটে উঠেছে। সমাজের বেড়াজাল ছিঁড়ে
নারীরাও যে প্রতিবাদ করতে জানে তা সুন্দর ভাবে বর্ণনা করা হয়েছে এই বইটিতে। নারী
শক্তি একবার জেগে উঠলে কি করুন পরিণতি হয় সেটাও সুন্দরভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।
শাহারিয়ার নাসিম
একজন দেশপ্রেমী লেখক। এছাড়া তার লেখায় সুবিধা-বঞ্চিত, অনাথ, নিপীড়িত,
নির্যাতিত, অবহেলিত এবং প্রতিবাদী মানুষের
বাস্তব চিত্র ফুটে ওঠে। তিনি গাইবান্ধা জেলার অন্তর্গত গোবিন্দগঞ্জ থানায় ১৯৯৮
সালের অক্টোবর মাসের ১৬ তারিখে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাবা মায়ের তিন সন্তানের মধ্য
তৃতীয়। ছোট বেলা থেকেই অন্যায়,অত্যাচারের চ্যালেঞ্জকে
মোকাবেলা করে যাচ্ছেন। এজন্য অন্য মানুষের দুঃখ, কষ্ট,
নির্যাতন,নিপীড়ন দেখলে তার মনে জেগে উঠে
প্রতিবাদের বজ্রধ্বনি। আর সেই বজ্রধ্বনিগুলাই অনুভূতির মাধ্যমে প্রকাশ করেন তার
লেখায়। তিনি বেশ কিছু জনপ্রিয় অনলাইন পত্রিকায় নিয়মিত লেখালেখি করেন। তিনি ঢাকা
আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়াশুনা করছেন।
তিনি "উদীয়মান
লেখক ফোরাম" এর মাধ্যমে প্রথম গল্পগ্রন্থ প্রকাশ করার অনুপ্রেরণা পান।
বইটি কেন পড়বেন:
বাজারে হাজার হাজার
বই আছে কিন্তু অন্যায়ের প্রতিবাদ প্রেমীর চাহিদা মেটাতে যুগোপযোগী বইয়ের বড় অভাব।
এই বইটি আপনাদের প্রতিবাদী তৃষ্ণা মেটাতে সাহায্য করবে।এই বইয়ে বেশিরভাগ গল্পে
নারীর প্রতি অন্যায়,অবিচার
এবং নির্যাতনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সেই সাথে তুলে ধরা হয়েছে কিভাবে
প্রতিবাদী হয়ে অন্যায় কারীদের উপযুক্ত শাস্তি দেয়া যায়। বইয়ে লেখকের প্রতিবাদী
মনোভাব, ভয়ের বেড়াজাল থেকে বেড়িয়ে এসে সত্যের মুখামুখি হওয়া
এবং স্বামী স্ত্রীর পবিত্র ভালোবাসার জীবন চিত্র ফুটে উঠেছে। আসুন আমরা বইটি পড়ে
নিজের সাথে আরো একবার পরিচিত হই ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াই এবং সেই সাথে
সাহিত্যকে এগিয়ে নিয়ে যাই নতুন এক উচ্চতায়।
ব্ল্যাকমেইল ৭-১২
সন্তান ১৩-৪২
চমৎকার
প্রতিশোধ ৪৩-৫৬
পবিত্র ভালবাসা ৫৭-৭৩
প্যারাময়ী সাইন্স
৭৪-৮৪
স্পেশাল পহেলা ৮৫-৯৬
ব্ল্যাকমেইল
(১)
ইউটিউব, ফেসবুক সহ পুরা ইন্টারনেট দুনিয়া এখন উত্তেজনায় মুখরিত। ইউটিউবে ভিডিওটা
প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই চারিদিকে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। খুব অল্প সময়ের
মধ্যেই ভিডিওটা ভাইরাল হয়ে গেছে। বর্তমানে এইসব ভিডিও এখন অনেকটাই কমন হয়েছে গেছে।
নেট ঘাঁটলেই অহরহ স্ক্যান্ডাল পাওয়া যায়। কিন্তু এই ভিডিওটা যেন সবগুলার চেয়ে
আলাদা। তাইতো এত সহজেই সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে এই ভিডিওটি। ভিডিওটি
লোমহর্ষক হলেও প্রতিটা মানুষই যেন আকর্ষণের সহিত ভিডিওটা দেখছে।
(২)
অনেকটা মিশুক এবং চঞ্চল প্রকৃতির
মেয়ে রাত্রী। সারাদিন ফ্রেন্ডদের সাথে আড্ডা এবং দুষ্টামিতেই তার সময় চলে যায়।
বন্ধু বান্ধবের বিপদে আপদে পাশে থেকে এবং তাদেরকে সাপোর্ট করায় সকলের চোখের মণি
এবং আস্থার প্রতীক হয়ে উঠে রাত্রী। দেখতে অনেক সুন্দরী ও গুণবতী হওয়ায় অনেকেই
রাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দিতো আর রাত্রী সেগুলা প্রতি বারই প্রত্যাখ্যান করতো।
সবাই যখন রাত্রীর সাথে কথা বলার জন্য কোনো না কোনো সুযোগ খুঁজতো ঠিক তখনি একজন
রাত্রীর থেকে দূরে দূরে থাকার চেষ্টা করতো। সবাই যখন রাত্রীর সাথে কথা বলার কোনও
না কোনও সুযোগ খুঁজতও ঠিক তখন একজন রাত্রীর থেকে দূরে দূরে থাকার চেষ্টা করতো।
বিষয়টা রাত্রীকে ছেলেটির প্রতি কৌতূহলী করে তুলে। এক বান্ধবীর কাছ থেকে জানতে পারে
ছেলেটির নাম রিয়ান। রিয়ানের কার্যকলাপ গুলা রাত্রীকে মুগ্ধ করে তুলে। রাত্রীর
স্বপ্নের পুরুষের সাথে রিয়ানের অনেকটা মিল থাকায় রিয়ান এবং রাত্রী খুব সহজেই বন্ধু
হয়ে যায়। এর কিছু দিন পরেই রিয়ান রাত্রীকে প্রপোজ করে বসে। রাত্রী আগে থেকেই
রিয়ানের প্রেমে হাবুডুবু খাওয়ায় সাথে সাথেই হ্যাঁ বলে দেয়।
(৩)
সম্পর্কে জড়ানোর পর ভালোই চলছিলো
তাদের দিনকাল। রিয়ান রাত্রীর অনেক যত্ন নিতে থাকে। রাত্রীরও রিয়ানের পছন্দের খাবার
গুলা মাঝে মাঝে রিয়ানের জন্য রান্না করে নিয়ে আসতো। এর কিছুদিন পরেই রিয়ানের
জন্মদিন আসে। রিয়ান রাত্রীকে তার জন্মদিনে তার বাবা মার সাথে পরিচয় করে দেওয়ার
জন্য তার বাসায় নিয়ে যেতে চায়। কিন্তু রাত্রী রিয়ানের কথায় রাজী হয়না। অনেক
জোরাজুরি এবং ভালোবাসার দোহায় দেয়ার পরে অবশেষে রাত্রী রাজী হয়ে যায়। নির্ধারিত
দিনে রাত্রী অনেক সেজেগুজে রিয়ানের সাথে তার বাসায় চায়। অনেক বড় লোক ঘরের ছেলে
রিয়ান,
বাড়ী এবং ভেতরের জিনিসপত্র দেখে তাই বুঝা যায়। পুরা বাড়ী
ফাঁকা দেখে রাত্রীর একটু সন্দেহ হলে রিয়ান রাত্রীকে অভয় দিয়ে বলে বাবা মা একটু
বাহিরে আছে কিছুক্ষণের মধ্যেই আসবে। তুমি ফ্রেশ হয়ে কিছু নাস্তা খেয়ে নাও। রাত্রী
রিয়ানের কথায় সম্মতি জানিয়ে তাই করে।
রাত্রী যখন চোখ খুলে তখন নিজেকে
সম্পূর্ণ বিবস্ত্র অবস্থায় আবিষ্কার করে। সারা বিছানায় রক্ত লেগে আছে এবং তার পুরা
শরীর ব্যথায় জর্জরিত। রাত্রীর আর বুঝতে বাকী রইলো না তার সাথে এতক্ষণ কি ঘটেছে। যে
ভালোবাসার মানুষটিকে বিশ্বাস করে এসেছিলো সেই মানুষটিই খাবারে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে
তার সবকিছু লুটেছে। কথাগুলা ভাবতেই চোখের কোণে পানি এসে গেলো রাত্রীর। সিগারেটের
ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে বারান্দা থেকে রুমে এসে বীভৎস এক হাসি দিয়ে রাত্রীর উদ্দেশ্য
রিয়ান বললো যাক এতক্ষণে ঘুম ভাঙ্গলো তাহলে। তোমাকে নতুন করে বলার আর প্রয়োজন নেই
এতক্ষণ তোমার সাথে কি কি হয়েছে, তুমি নিশ্চয়ই সবকিছু
বুঝতে পেরেছ। রাত্রী কান্না ভেজা কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে আস্তে করে জিজ্ঞাস করলো কিন্তু
কেনও রিয়ান কেনও? আমি তো তোমাকে ভালবাসতাম। রাত্রীর
কথা শুনেই রিয়ান উচ্চস্বরে হাসতে হাসতে বলতে লাগলো ভালোবাসা, মাই ফুট। তোর মত মেয়ের আমাকে ভালোবাসার কোনই যোগ্যতা নেই। তোর মত কত মেয়ে আমার
বিছানার সঙ্গী হয়েছে তোর ধারণা আছে? শুধুমাত্র
বন্ধুদের জোরাজুরিতে তোকে বিছানায় নিয়ে আসার জন্য রাজী হয়েছিলাম। শুনেছি তোর নাকি
অনেক দেমাগ, অনেক অহংকার। এখন দেখি কিভাবে দেখাস তোর
অহংকার।
রিয়ানের কথা শুনে রাত্রী পুরাই
স্তব্ধ। সে কিভাবে রিয়ানের মতো জানোয়ারকে এতদিন ভালবেসেছিলও। সেদিন রাতে রিয়ান
আবার রাত্রীর উপর হিংস্র হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে। সারারাত চলে সেই হিংস্র
লীলাখেলা। একে একে ভোগ করতে থাকে রাত্রীর সবকিছু। দু চোখ দিয়ে পানি ফেলা ছাড়া
রাত্রীর আর কিছুই করার ছিলো না। কারণ রিয়ানের কথা এবং কার্যকলাপ রাত্রীকে এতটাই
শকড করেছিলো যে রাত্রী তার বোধ ক্ষমতাই হারিয়ে ফেলেছিলো। সারারাত যৌন লালসা
মেটানোর পর রিয়ান রাত্রীকে কড়া পাওয়ারের পেইন কিলার খাইয়ে পাঠিয়ে দেয়। আর পাঠিয়ে
দেবার সময় বলে কাল সারা রাত তার সাথে যা কিছু হয়েছে তা সবকিছুই রেকর্ড করা হয়েছে।
পুলিশ বা কাউকে কিছু বললেই তা নেটে ছেড়ে দেয়া হবে।
বই সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্যাদি:
গ্রন্থস্বত্ব
: লেখক
: লেখক
প্রকাশকাল
: ই-বুক পিডিএফ র্ভাসন: ১০ জুন ২০১৮
: ই-বুক পিডিএফ র্ভাসন: ১০ জুন ২০১৮
: ডিজিটাল প্রিন্ট র্ভাসন-১: ১০ জুন ২০১৮ (৫ কপি)
: প্রথম প্রেস র্ভাসন প্রক্রিয়াধীন
মুদ্রণে
: উদীয়মান লেখক ফোরাম
বাঁধাইয়ে
: জসিম, নীলখেত
মূল্য
: পিডিএফ র্ভাসন ৭০ টাকা বিদেশে দুই ডলার।
: ডিজিটাল প্রিন্ট র্ভার্সন ২১০ টাকা বিদেশে চার ডলার।
: প্রেস র্ভাসন ১৫০ টাকা বিদেশে তিন ডলার।
আইএসবিএন :
আবেদন প্রক্রিয়াধীন
আইএসবিএন :
আবেদন প্রক্রিয়াধীন





