Monday, October 1, 2018
Tuesday, June 5, 2018
ব্ল্যাকমেইল-শাহারিয়ার নাসিম
ডিজিটাল ভার্সন-১
বই পরিচিতি:
লেখকের
অনবদ্য সৃষ্টি এক একটি গল্প। এই বইয়ে কয়েকটি সেরা গল্প স্থান পেয়েছে। প্রত্যেকটি গল্প
যেন হৃদয়ের প্রতিচ্ছবি হয়ে বাস্তবতার কথা বলে। ধর্ষণের মতো সামাজিক সমস্যার সাথে
সাথে তার সমুচিত শাস্তিও ফুটে উঠেছে এই বইয়ে। সাথে বাবা মায়ের প্রতি সন্তানের ভালোবাসা
এবং একজন গর্ভবতী মায়ের ৯ মাসের কষ্ট,যন্ত্রণা
এবং আগত সন্তানকে নিয়ে হাজারো স্বপ্নের বিন্যাস ঘটেছে এই বইয়ে। সেই সাথে
স্বামী-স্ত্রীর পবিত্র ভালোবাসার সম্পর্ক এবং খুনসুটি ঝগড়ার গল্প বইটিকে অনবদ্য
করে তুলেছে। লেখক শাহারিয়ার নাসিম সমসাময়িক কালে ঘটে যাওয়া সমাজের দুর্বলতা,অপরাধ-প্রবণ ঘটনা এবং ব্যর্থতাকে অত্যন্ত সুনিপুণভাবে উপস্থাপন করেছেন
গল্পের মাধ্যমে। বইটিতে নারী শক্তির নানা দিক ফুটে উঠেছে। সমাজের বেড়াজাল ছিঁড়ে
নারীরাও যে প্রতিবাদ করতে জানে তা সুন্দর ভাবে বর্ণনা করা হয়েছে এই বইটিতে। নারী
শক্তি একবার জেগে উঠলে কি করুন পরিণতি হয় সেটাও সুন্দরভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।
শাহারিয়ার নাসিম
একজন দেশপ্রেমী লেখক। এছাড়া তার লেখায় সুবিধা-বঞ্চিত, অনাথ, নিপীড়িত,
নির্যাতিত, অবহেলিত এবং প্রতিবাদী মানুষের
বাস্তব চিত্র ফুটে ওঠে। তিনি গাইবান্ধা জেলার অন্তর্গত গোবিন্দগঞ্জ থানায় ১৯৯৮
সালের অক্টোবর মাসের ১৬ তারিখে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাবা মায়ের তিন সন্তানের মধ্য
তৃতীয়। ছোট বেলা থেকেই অন্যায়,অত্যাচারের চ্যালেঞ্জকে
মোকাবেলা করে যাচ্ছেন। এজন্য অন্য মানুষের দুঃখ, কষ্ট,
নির্যাতন,নিপীড়ন দেখলে তার মনে জেগে উঠে
প্রতিবাদের বজ্রধ্বনি। আর সেই বজ্রধ্বনিগুলাই অনুভূতির মাধ্যমে প্রকাশ করেন তার
লেখায়। তিনি বেশ কিছু জনপ্রিয় অনলাইন পত্রিকায় নিয়মিত লেখালেখি করেন। তিনি ঢাকা
আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়াশুনা করছেন।
তিনি "উদীয়মান
লেখক ফোরাম" এর মাধ্যমে প্রথম গল্পগ্রন্থ প্রকাশ করার অনুপ্রেরণা পান।
বইটি কেন পড়বেন:
বাজারে হাজার হাজার
বই আছে কিন্তু অন্যায়ের প্রতিবাদ প্রেমীর চাহিদা মেটাতে যুগোপযোগী বইয়ের বড় অভাব।
এই বইটি আপনাদের প্রতিবাদী তৃষ্ণা মেটাতে সাহায্য করবে।এই বইয়ে বেশিরভাগ গল্পে
নারীর প্রতি অন্যায়,অবিচার
এবং নির্যাতনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সেই সাথে তুলে ধরা হয়েছে কিভাবে
প্রতিবাদী হয়ে অন্যায় কারীদের উপযুক্ত শাস্তি দেয়া যায়। বইয়ে লেখকের প্রতিবাদী
মনোভাব, ভয়ের বেড়াজাল থেকে বেড়িয়ে এসে সত্যের মুখামুখি হওয়া
এবং স্বামী স্ত্রীর পবিত্র ভালোবাসার জীবন চিত্র ফুটে উঠেছে। আসুন আমরা বইটি পড়ে
নিজের সাথে আরো একবার পরিচিত হই ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াই এবং সেই সাথে
সাহিত্যকে এগিয়ে নিয়ে যাই নতুন এক উচ্চতায়।
ব্ল্যাকমেইল ৭-১২
সন্তান ১৩-৪২
চমৎকার
প্রতিশোধ ৪৩-৫৬
পবিত্র ভালবাসা ৫৭-৭৩
প্যারাময়ী সাইন্স
৭৪-৮৪
স্পেশাল পহেলা ৮৫-৯৬
ব্ল্যাকমেইল
(১)
ইউটিউব, ফেসবুক সহ পুরা ইন্টারনেট দুনিয়া এখন উত্তেজনায় মুখরিত। ইউটিউবে ভিডিওটা
প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই চারিদিকে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। খুব অল্প সময়ের
মধ্যেই ভিডিওটা ভাইরাল হয়ে গেছে। বর্তমানে এইসব ভিডিও এখন অনেকটাই কমন হয়েছে গেছে।
নেট ঘাঁটলেই অহরহ স্ক্যান্ডাল পাওয়া যায়। কিন্তু এই ভিডিওটা যেন সবগুলার চেয়ে
আলাদা। তাইতো এত সহজেই সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে এই ভিডিওটি। ভিডিওটি
লোমহর্ষক হলেও প্রতিটা মানুষই যেন আকর্ষণের সহিত ভিডিওটা দেখছে।
(২)
অনেকটা মিশুক এবং চঞ্চল প্রকৃতির
মেয়ে রাত্রী। সারাদিন ফ্রেন্ডদের সাথে আড্ডা এবং দুষ্টামিতেই তার সময় চলে যায়।
বন্ধু বান্ধবের বিপদে আপদে পাশে থেকে এবং তাদেরকে সাপোর্ট করায় সকলের চোখের মণি
এবং আস্থার প্রতীক হয়ে উঠে রাত্রী। দেখতে অনেক সুন্দরী ও গুণবতী হওয়ায় অনেকেই
রাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দিতো আর রাত্রী সেগুলা প্রতি বারই প্রত্যাখ্যান করতো।
সবাই যখন রাত্রীর সাথে কথা বলার জন্য কোনো না কোনো সুযোগ খুঁজতো ঠিক তখনি একজন
রাত্রীর থেকে দূরে দূরে থাকার চেষ্টা করতো। সবাই যখন রাত্রীর সাথে কথা বলার কোনও
না কোনও সুযোগ খুঁজতও ঠিক তখন একজন রাত্রীর থেকে দূরে দূরে থাকার চেষ্টা করতো।
বিষয়টা রাত্রীকে ছেলেটির প্রতি কৌতূহলী করে তুলে। এক বান্ধবীর কাছ থেকে জানতে পারে
ছেলেটির নাম রিয়ান। রিয়ানের কার্যকলাপ গুলা রাত্রীকে মুগ্ধ করে তুলে। রাত্রীর
স্বপ্নের পুরুষের সাথে রিয়ানের অনেকটা মিল থাকায় রিয়ান এবং রাত্রী খুব সহজেই বন্ধু
হয়ে যায়। এর কিছু দিন পরেই রিয়ান রাত্রীকে প্রপোজ করে বসে। রাত্রী আগে থেকেই
রিয়ানের প্রেমে হাবুডুবু খাওয়ায় সাথে সাথেই হ্যাঁ বলে দেয়।
(৩)
সম্পর্কে জড়ানোর পর ভালোই চলছিলো
তাদের দিনকাল। রিয়ান রাত্রীর অনেক যত্ন নিতে থাকে। রাত্রীরও রিয়ানের পছন্দের খাবার
গুলা মাঝে মাঝে রিয়ানের জন্য রান্না করে নিয়ে আসতো। এর কিছুদিন পরেই রিয়ানের
জন্মদিন আসে। রিয়ান রাত্রীকে তার জন্মদিনে তার বাবা মার সাথে পরিচয় করে দেওয়ার
জন্য তার বাসায় নিয়ে যেতে চায়। কিন্তু রাত্রী রিয়ানের কথায় রাজী হয়না। অনেক
জোরাজুরি এবং ভালোবাসার দোহায় দেয়ার পরে অবশেষে রাত্রী রাজী হয়ে যায়। নির্ধারিত
দিনে রাত্রী অনেক সেজেগুজে রিয়ানের সাথে তার বাসায় চায়। অনেক বড় লোক ঘরের ছেলে
রিয়ান,
বাড়ী এবং ভেতরের জিনিসপত্র দেখে তাই বুঝা যায়। পুরা বাড়ী
ফাঁকা দেখে রাত্রীর একটু সন্দেহ হলে রিয়ান রাত্রীকে অভয় দিয়ে বলে বাবা মা একটু
বাহিরে আছে কিছুক্ষণের মধ্যেই আসবে। তুমি ফ্রেশ হয়ে কিছু নাস্তা খেয়ে নাও। রাত্রী
রিয়ানের কথায় সম্মতি জানিয়ে তাই করে।
রাত্রী যখন চোখ খুলে তখন নিজেকে
সম্পূর্ণ বিবস্ত্র অবস্থায় আবিষ্কার করে। সারা বিছানায় রক্ত লেগে আছে এবং তার পুরা
শরীর ব্যথায় জর্জরিত। রাত্রীর আর বুঝতে বাকী রইলো না তার সাথে এতক্ষণ কি ঘটেছে। যে
ভালোবাসার মানুষটিকে বিশ্বাস করে এসেছিলো সেই মানুষটিই খাবারে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে
তার সবকিছু লুটেছে। কথাগুলা ভাবতেই চোখের কোণে পানি এসে গেলো রাত্রীর। সিগারেটের
ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে বারান্দা থেকে রুমে এসে বীভৎস এক হাসি দিয়ে রাত্রীর উদ্দেশ্য
রিয়ান বললো যাক এতক্ষণে ঘুম ভাঙ্গলো তাহলে। তোমাকে নতুন করে বলার আর প্রয়োজন নেই
এতক্ষণ তোমার সাথে কি কি হয়েছে, তুমি নিশ্চয়ই সবকিছু
বুঝতে পেরেছ। রাত্রী কান্না ভেজা কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে আস্তে করে জিজ্ঞাস করলো কিন্তু
কেনও রিয়ান কেনও? আমি তো তোমাকে ভালবাসতাম। রাত্রীর
কথা শুনেই রিয়ান উচ্চস্বরে হাসতে হাসতে বলতে লাগলো ভালোবাসা, মাই ফুট। তোর মত মেয়ের আমাকে ভালোবাসার কোনই যোগ্যতা নেই। তোর মত কত মেয়ে আমার
বিছানার সঙ্গী হয়েছে তোর ধারণা আছে? শুধুমাত্র
বন্ধুদের জোরাজুরিতে তোকে বিছানায় নিয়ে আসার জন্য রাজী হয়েছিলাম। শুনেছি তোর নাকি
অনেক দেমাগ, অনেক অহংকার। এখন দেখি কিভাবে দেখাস তোর
অহংকার।
রিয়ানের কথা শুনে রাত্রী পুরাই
স্তব্ধ। সে কিভাবে রিয়ানের মতো জানোয়ারকে এতদিন ভালবেসেছিলও। সেদিন রাতে রিয়ান
আবার রাত্রীর উপর হিংস্র হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে। সারারাত চলে সেই হিংস্র
লীলাখেলা। একে একে ভোগ করতে থাকে রাত্রীর সবকিছু। দু চোখ দিয়ে পানি ফেলা ছাড়া
রাত্রীর আর কিছুই করার ছিলো না। কারণ রিয়ানের কথা এবং কার্যকলাপ রাত্রীকে এতটাই
শকড করেছিলো যে রাত্রী তার বোধ ক্ষমতাই হারিয়ে ফেলেছিলো। সারারাত যৌন লালসা
মেটানোর পর রিয়ান রাত্রীকে কড়া পাওয়ারের পেইন কিলার খাইয়ে পাঠিয়ে দেয়। আর পাঠিয়ে
দেবার সময় বলে কাল সারা রাত তার সাথে যা কিছু হয়েছে তা সবকিছুই রেকর্ড করা হয়েছে।
পুলিশ বা কাউকে কিছু বললেই তা নেটে ছেড়ে দেয়া হবে।
বই সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্যাদি:
গ্রন্থস্বত্ব
: লেখক
: লেখক
প্রকাশকাল
: ই-বুক পিডিএফ র্ভাসন: ১০ জুন ২০১৮
: ই-বুক পিডিএফ র্ভাসন: ১০ জুন ২০১৮
: ডিজিটাল প্রিন্ট র্ভাসন-১: ১০ জুন ২০১৮ (৫ কপি)
: প্রথম প্রেস র্ভাসন প্রক্রিয়াধীন
মুদ্রণে
: উদীয়মান লেখক ফোরাম
বাঁধাইয়ে
: জসিম, নীলখেত
মূল্য
: পিডিএফ র্ভাসন ৭০ টাকা বিদেশে দুই ডলার।
: ডিজিটাল প্রিন্ট র্ভার্সন ২১০ টাকা বিদেশে চার ডলার।
: প্রেস র্ভাসন ১৫০ টাকা বিদেশে তিন ডলার।
আইএসবিএন :
আবেদন প্রক্রিয়াধীন
আইএসবিএন :
আবেদন প্রক্রিয়াধীন
Sunday, June 3, 2018
ফিরে পেতে চাই অরণ্য-মো: রুহুল কুদ্দুস
ডিজিটাল প্রিন্ট ভার্সন-১
বই পরিচিতি:
বইটিতে সর্বমোট ৫৭টি বিচিত্রধর্মী
কবিতা সন্নিবেশিত হয়েছে। যার বিষয়গুলি সুন্দর এবং লেখার মান চমৎকার, শ্রুতিমধুর এবং হৃদয়গ্রাহী। যেখানে কবিতার বিষয়বস্তু লেখকের অনুপম লেখনীতে
সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে, আর এটাই কবির লেখনীর অন্যতম
বৈশিষ্ট্য। তিনি সব সময় কথায়, কবিতায় স্পষ্ট ও
সরাসরি বলেন। এটাই কবির চরিত্রের অন্যতম দিক। কবিতা গুলিতে প্রার্থনা, সামাজিক অসংগতি, প্রেম, দেশপ্রেম, নিসর্গ প্রভৃতি বিষয় সার্থক ভাবে ফুটিয়ে
তোলা হয়েছে। একবার পড়া শুরু করলে শেষ না করে উঠা যাবে না। বইটি প্রথম থেকে শেষ
পর্যন্ত আপনাকে টেনে নিয়ে যাবে। আশা করি কাব্যগ্রন্থটির কবিতাগুলি পড়ে পাঠক ভাল
সময় কাটাবেন, আনন্দাপ্লুত হবেন এবং বার বার পড়বেন।
লেখক পরিচিতি:
মোবারকগঞ্জ
চিনিকলে বিদ্যুৎ বিভাগে জব করি। এই ছোট্ট গণ্ডির ভিতরে আমার সত্বা সীমাবদ্ধ। কর্মের অবসরে প্রকৃতি, শিল্প, রাজনৈতিক, সামাজিক, গ্রামিন
বিভিন্ন বিষয়ে লেখার চেষ্টা করি।বই খানি পড়লে আশা রাখি সবার খুব ভাল লাগবে।আর যার
জন্য আমার কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে সেই সাদা মনের মানুষের মেজর মোঃ তারেক মাহমুদ
সরকার-এর নামে বই খানি উৎস্বর্গ করলাম।
ইতি
মোঃরুহুল কুদ্দুস
বিদ্যুৎবিভাগ,মোবারকগঞ্জ চিনিকল।
বইটি কেন পড়বেন:
সাহিত্য জীবনের কথা বলে। সীমাহীন
দূঃখ-কষ্ট, ঝড়-ঝঞ্ঝা, ঘাত-প্রতিঘাত এর মাঝেও সুখ ও প্রত্যাশা প্রাপ্তি এবং সূবর্ণ আগামীর স্বপ্ন
দেখায়,
প্রেম-ভালবাসায় উদ্ভাসিত করে । শুষ্ক মন ও মননকে আনন্দের ফল্গুধারায় সিক্ত করে। আর
এ কাব্য গ্রন্থটিতে তার সবই আছে। একজন পড়লে অন্য জনকে কিনতে এবং পড়তে অনুপ্রাণিত
করবে এটাই প্রমানিত সত্য। যুগের পাওয়া শত শত অত্যাধুনিক বিনোদনের উপাদানের মাঝেও
কবিতা আজও অনন্ত যৌবনা একমাত্র বন্ধু, সাথী ও
ভালবাসার নিয়ামক।
ফিরে পেতে চাই অরণ্য
৯
বেলা শেষে ১০
জয় পরাজয় ১১
শরৎকালে তালের পাখা
১২
অতীত=বর্তমান ১৩
পালকি ১৪
ফিরিয়ে দাও সব ১৫
চাপা বাজ ১৬
অলস ১৭
শিক্ষাগুরু ১৮
চরিত্রবান ১৯
কিশোর ছিলাম যখন
২০
নদীর সৌন্দর্য ২১
সঙ্গ দোষে সর্বনাশ
২২
ভালবাসি বর্ষাকাল
২৩
অতীত স্মৃতি ২৪
ইচ্ছা করে ২৫
ছয় রিপু ২৬
বিদ্যা মূল মন্ত্র
২৭
বর্ষাকাল ২৮
বসন্তের আগমন ২৯
গ্রীষ্মের দুপুর
৩০
বাংলার সৌন্দর্য
৩১
সময় করনা হেলা ৩২
ক্ষনিক জীবন ৩৩
সবারে বাসিব ভালো
৩৪
অগ্রগামী নারী ৩৫
মূর্খতা অভিশাপ
৩৬
বাংলার রুপ ৩৭
সুখি কারা ৩৮
ক্রোধ ৩৯
আমার মা ৪০
ফুরাবে দিবস ৪১
যৌতুক ৪২
গৃহবধু ৪৩
কর্তব্য পালন ৪৪
পরশ পাথর ৪৫
হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু
৪৬
মেধার বিকাশ ৪৭
মনোবল ৪৮
গুনাবলি ৪৯
শ্রম সাধনা ৫০
শত্রুর ভাল বাসা
৫১
বিজ্ঞানের অবদান
৫২
সবুজের অভাব ৫৩
নিন্দুকের কাজ ৫৪
বাংলার গৌরব ৫৫
আমার গ্রাম ৫৬
প্রতিভা ৫৭
বসন্তের কোকিল ৫৮
প্রার্থনা ৫৯
দুর্ঘটনা ৬০
মা ৬১
পরকাল ৬২
জীবনের লক্ষ্য ৬৩
সম্পর্ক ৬৪
ফিরে পেতে চাই অরণ্য
আধুনিক সভ্যতার সর্বনাশা স্রোতে অরণ্য সমাহিত,
নাগরিক সভ্যতার কৃত্রিম জীবনে সবাই বিমহিত।
প্রাচিন আর আধুনিকের ভিতর এখন বিস্তর ব্যাবধান!
অরণ্যতে শোভা ছিল তখন পাখিরা গাইত গান।
নির্মল বায়ু উন্মুক্ত প্রান্তর ছিল যে সিমাহিন,
সব কিছু এখন হারিয়ে গেছে হয়েছি মোরা দীন।
নাগরিক সভ্যতার নান্দনিক বিকাশে অরণ্য হচ্ছে নষ্ট,
শহরেতে নির্মল বায়ু পাওয়া এখন বড় কষ্ট।
আধুনিক সভ্যতা মানুষকে করেছে হৃদয়হীন নিষ্ঠুর,
দালান কোঠা শহর গড়তে অরণ্য হচ্ছে আজ দুর।
বিরামহীন ভাবে গাছ গাছালি যদি উজাড় হয়ে যায়,
ছায়া সুনিবিড় শান্তির নীড় মোরা কেমনে খুজে পায়!
ছোট্ট গণ্ডির ভিতরে বন্ধি আমি মানুষ অতি নগন্য,
প্রকৃতির ভারসাম্যে রক্ষার জন্য ফিরে পেতে চায় অরণ্য।।
বই সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্যাদি:
গ্রন্থস্বত্ব
: লেখক
: লেখক
প্রকাশকাল
: ই-বুক পিডিএফ র্ভাসন: ১৫ জুন ২০১৮
: ই-বুক পিডিএফ র্ভাসন: ১৫ জুন ২০১৮
: ডিজিটাল প্রিন্ট র্ভাসন-১: ১৫ জুন ২০১৮ (৫ কপি)
: প্রথম প্রেস র্ভাসন প্রক্রিয়াধীন
মুদ্রণে
: উদীয়মান লেখক ফোরাম
বাঁধাইয়ে
: ইসমাইল,নীলখেত
মূল্য
: পিডিএফ র্ভাসন ৫০ টাকা বিদেশে দুই ডলার।
: ডিজিটাল প্রিন্ট র্ভার্সন ১৭০ টাকা বিদেশে চার ডলার।
: প্রেস র্ভাসন ১২০ টাকা বিদেশে তিন ডলার।
আইএসবিএন :
আবেদন প্রক্রিয়াধীন
আইএসবিএন :
আবেদন প্রক্রিয়াধীন
Friday, May 25, 2018
জীর্ণপাতা-মুহাম্মদ ফজলুল হক
১ম ডিজিটাল ভার্সন
মূখবন্ধ:
লেখক পরিচিতি:
লেখকের প্রকাশিতব্য বইসমূহঃ
মানব জীবনটা হচ্ছে পত্রপল্লবে সুশোভিত বৃক্ষের মতো। একেকটা লিখিত গল্প একেকটা ঝরাপাতার মতো। প্রত্যেকটা মানুষের জীবনে কম বেশি অসংখ্য গল্প আছে। একেকটা অখ্যাত মানুষের সেসব গল্প অন্য মানুষ হয়তোবা
জানে,
হয়তোবা জানে না। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গল্পের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছেন “জগতের শত শত
অসমাপ্ত কথা যত// অকালের বিচ্ছিন্ন মুকুল// অকালের জীবনগুলো, অখ্যাত কীর্তির ধুলা// কত ভাব, কত ভয় ভুল।“ তেমনই কিছু জীবনের গল্প নিয়ে আমার প্রথম গল্পের
বই “জীর্ণপাতা”। ১৯৯৫ সালে যখন নবম শ্রেণীতে পড়ি তখন থেকে একটু একটু লেখালেখি করি। এ বইয়ের গল্পগুলোর কিয়দংশ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন
পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল, আর কিছু ছিল অপ্রকাশিত
।
মানুষ দিন দিন বেশি যান্ত্রিক, বেশি ব্যস্ত হয়ে যাচ্ছে। বড় আকারের লেখা কম সংখ্যক লোকেই পড়তে চায়। ছোট লেখা বেশি সংখ্যক লোকে পড়তে আগ্রহী হয়। সে জন্য আমি স্বল্পদৈর্ঘ্যের গল্প লেখার চেষ্টা করি। এর কিছু ছোটগল্প আর কিছু অনুগল্পের পর্যায়ে পড়ে। শুধু অনুগল্প নিয়ে ভবিষ্যতে স্বতন্ত্র একটি গল্পের
বই প্রকাশে আগ্রহী। লেখক হিসেবে আমার হাত একেবারেই আনকোরা। একটি কাহিনী বা প্লটকে গল্পের ব্যাকরণে বা সাহিত্যমানে উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য
কিছু নান্দনিক ও শিল্পশর্ত পূরণ করতে হয়। আমি গল্প নামে যা লেখি, সেটা আদতেই গল্প হয় কি না, কিংবা সাহিত্যের ব্যাকরণিক দিকটি ছুঁয়ে যায় কি না, সেটা জানি না। নিরন্তর মনের ভাবনা থেকে লিখি, পাঠককে ভাবানোর
উপকরণ রাখার চেষ্টা করি। আমার গল্পগুলি গল্প হোক কি না হোক, একান্ত শখের
বশেই লেখা এবং বই প্রকাশ করা। এ কয়টি গল্পের মধ্য থেকে দু একটা গল্পও যদি কোন পাঠকের ভাবায়, চিন্তার খোরাক দেয়, নূন্যতম ভাল লাগে, তবে আমার
প্রচেষ্টা সার্থক হয়েছে বলে ধরে নেব।
মুহাম্মদ ফজলুল হক।
ফেনী।
মুহাম্মদ ফজলুল হক ফেনী জেলার ফুলগাজী থানার আমজাদ হাট ইউনিয়ন অন্তর্গত উত্তর তারাকুচা গ্রামে আব্দুল কাদের ও করফুলের নেছার ঔরসে ১৯৮৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। সাত ভাই ও ছয় বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট। সহধর্মীনি জাকিয়া সুলতানা রুমা একটি কলেজে ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক (এম.পি.ও ভূক্ত) হিসেবে কর্মরত আছেন৷ উনাদের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে, আহনাফ তাজওয়ার লাবীব, বয়স সাড়ে তিন বছর৷
বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ফেনী জেলার স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আল জামেয়াতুল ফালাহিয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে দাখিল (এসএসসি) ও আলিম (এইচএসসি) পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ অর্জন করেন। ফেনী সরকারী কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে অনার্স ও ঢাকা কলেজ থেকে দ্বিতীয় শ্রেণী নিয়ে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন। পরবর্তীতে সাদার্ন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এমএ ডিগ্রী এবং বঙ্গবন্ধু ল’ টেম্পল, চট্টগ্রাম থেকে এলএলবি ডিগ্রী অর্জন করেন। তাছাড়াও ইংরেজি ভাষা এবং কম্পিউটার বিষয়ে তিনি সংক্ষিপ্ত ডিপ্লোমা করেন। ভবিষ্যতে তিনি উচ্চতর গবেষণা করতে আগ্রহী।
তিনি ছাত্রজীবনে ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। কলেজে ছাত্রাবাস, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ ও ছাত্র ছাত্রীদের ন্যায্য দাবী আদায়ের জন্য ২০০৩ সালে ফেনী সরকারী কলেজে গঠিত সর্বদলীয় ছাত্র-ঐক্যের সেক্রেটারি নির্বাচিত হন লেখক। উক্ত আন্দোলনের মুখে তৎকালীন সরকার ফেনী সরকারী কলেজের উন্মুক্ত সীমানায় প্রাচীর নির্মাণ ও বৃহৎ আকারে ছাত্রাবাস নির্মাণ করতে বাধ্য হন।
পেশাগত জীবনে লেখক ফেনী জেলার খ্যাতিমান প্রতিষ্ঠান শাহীন একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজে সহকারী শিক্ষক, মিশন ইন্টারন্যাশনাল কলেজ, আদাবর, শ্যামলী, ঢাকায় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে প্রভাষক, ফেনী কলেজিয়েট স্কুল এর অধ্যক্ষ এবং বীকন মডেল কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি চরলক্ষ্মীগঞ্জ নাজেরিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, কুঠিরহাট, সোনাগাজী, ফেনীতে স্নাতক পর্যায়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক (এম.পি.ও ভুক্ত) হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি ফেনী ভিক্টোরিয়া কলেজের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক।
লেখক ফেনী শহরে রিডার্স ফোরাম নামে একটি ষ্টাডি সার্কেল পরিচালনা করে আসছেন৷
ত্রৈমাসিক হুইশেল নামে একটি সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ করছেন৷ তিনি আন্তর্জাতিক
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন লায়ন ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল এর ফেনী শাখার একজন সদস্য। এছাড়াও বিভিন্ন
সময়ে বিভিন্ন পত্রিকা ও ম্যাগাজিনের সম্পাদনা করেছেন৷ ফেনী সরকারী কলেজ এক্স স্টুডেন্টস
এসোসিয়েশন এর প্রতিষ্ঠাতা, রাষ্ট্রবিজ্ঞান
এলামনাই এসোসিয়েশন এর প্রতিষ্ঠাতা অর্থসম্পাদক। বই পড়া আর ঘুরে বেড়ানো লেখকের অন্যতম
শখ। দেশের অর্ধেকের বেশি জেলা এবং ভারতের ত্রিপুরা ভ্রমণ করেছেন তিনি।
লেখকের প্রকাশিতব্য বইসমূহঃ
১) অনুগল্পের বই "অল্প কথার গল্প"৷
২) প্রবন্ধ সংকলন "বাৎচিৎ"৷
৩) ভ্রমণ কাহিনী "তেপান্তরের চুপকথা"৷
৪) কবিতার বই "অস্ফুট আস্ফালন"৷
বইটি সূচিপত্র:
০১) ছোট্ট বান্ধবী
০২) ফনিমনসার জোসনারাত
০৩) কালো মানিক
০৪) ফ্যাসাদ
০৫) ঝরা বকুল
০৬) রাতের অতিথি
০৭) তিন বন্ধুর বিদেশ গমন
০৮) বিরহ বিধূর হিয়া
০৯) রক্তমাখা কিশোরকন্ঠ
১০) সাপের মানিক
১১) উপস্থিত বুদ্ধি
১২) এক পলক
১৩) ভয়ংকর এক রাত
১৪) দ্বিগুন বৃদ্ধি
১৫) নিশিকুটুম্ব
নিশিকুটুম্ব
বিশেষ কাজে শেষ রাতের ট্রেনে চট্টগ্রাম যাচ্ছেন মারুফ। স্ত্রী শায়লা আর ছোট বাচ্চাকে বাসায় রেখেই তিনি বের হলেন। বৌ খুবই ভীতুর ডিম । স্বামী
বের হওয়ার পর বাচ্চাকে নিয়ে জড়িয়ে ধরে শুয়ে রইলেন। এর আগে
বাসার সব রুমের লাইট জ্বালিয়ে দিলেন। গরম কাল
হলেও ঘরের সব জানালা বন্ধ।
শরীর ছম ছম করছে শায়লার। মনে হচ্ছে
অন্য কক্ষে কেউ হাঁটছে। কিন্তু শোয়া থেকে উঠে গিয়ে দেখার
মতো সাহস তার নেই। মারুফ ট্রেনে উঠে বৌকে ফোন করে
জানায়। গন্তব্যে পৌঁছেও কল করে। ষ্টেশনের
পৌছতে লাগে পনের মিনিট। বাসা থেকে বের হল প্রায় পৌনে এক
ঘণ্টা হল। এতক্ষণে ট্রেন ছাড়ার কথা। কিন্তু মারুফ
ফোন দেয়নি। শায়লা চিন্তিত মনে কল দিতে গিয়ে দেখল মোবাইল বন্ধ!
কয়েকবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হল। রাত
পোহানো আর ভোরের আলো ফোটার এখনো ঢের বাকি। সেই
পর্যন্ত অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নাই।
আরো প্রায় পনের মিনিট পর দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ হল কয়েকবার। শায়লা হতচকিত হয়ে পড়ল। দরজার
লুকিং গ্লাস দিয়ে দেখলেন মারুফ দরজায় দাঁড়ানো! শায়লা তাড়াতাড়ি দরজা খুললে জিজ্ঞেস
করলেন ফেরত আসলে কেন? মারুফ উত্তর দিলেন ট্রেন অনেক লেট।
মারুফ ঘরে ঢুকে শায়লাকে বলল খুব খিদে পেয়েছে, খাবার কিছু আছে? শায়লা
আশ্চর্য হয়ে বলল, তখনই তো ভাত খেয়ে বের হলা। এত
তাড়াতাড়ি খিদা লাগে কেমনে? শায়লা বলল, ফ্রিজ খুলে দেখো কি আছে। অলস শায়লা ছেলের পাশে গিয়ে শুয়ে রইল। ঘরে কেমন
একটা অস্বস্তিকর ভোটকা গন্ধ ছড়াচ্ছে। কিন্তু
গন্ধটার উৎস বুঝা গেল না। সময় দেখার জন্য শায়লা মোবাইল
স্ক্রিনে চোখ দিল, নেটওয়ার্ক একেবারেই নাই!
ফ্রিজ খুলে মারুফ কি কি যেন খেল। ইতিমধ্যে
শায়লার চোখ বুঝে এল। এর মধ্যে অনতিদূরে মসজিদে ফজরের
আজান শুরু হল। মারুফ শায়লাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে বলল ট্রেনের সময় হল,
আমি আবার বের হলাম, দরজা বন্ধ করো। শায়লা
শোয়া থেকে অলসভাবে উঠে দরজা বন্ধ করে নিজ কক্ষে এসে আবার শুয়ে পড়ল।
আনুমানিক মিনিট পাঁচেক যেতে না যেতেই শায়লার মোবাইল বেজে উঠল। মারুফের ফোন! শায়লা চিন্তিত হল, এ মাত্র বের হল মারুফ। এত তাড়াতাড়ি ফোন দিল কেন? রিসিভ করার পর অপর প্রান্ত থেকে
ঝাঁঝালো কণ্ঠে মারুফ বলল, কি ব্যাপার! সেই থেকে তোমার ফোনে ট্রাই করছি, ফোন
বন্ধ রেখেছ কেন? শায়লা বলল, মানে? তুমি কই? মারুফ জবাব দিল, আমিতো ট্রেন থেকে
চট্টগ্রাম স্টেশনে নামলাম মাত্র। বাসা থেকে
বের হয়ে স্টেশনে পৌছার কিছুক্ষণের মধ্যে ট্রেন ছেড়েছে। তখন থেকেই
তোমাকে ফোনে ট্রাই করছি, কিন্তু তোমার ফোন বন্ধ পাচ্ছি। মারুফের
কথা শুনে শায়লা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে রইল। ওদিক থেকে
মারুফ হ্যালো হ্যালো করছে।
শায়লা
ফ্রিজ খুলে দেখল মিষ্টির প্যাকেট পুরাই খালি! অথচ প্রায় দু কেজি মিষ্টি ভর্তি ছিল
প্যাকেটটা। শায়লার মাথা ভোঁ ভোঁ করে ঘুরছে। ওদিক থেকে
হ্যালো হ্যালো করে নেটওয়ার্ক সমস্যা মনে করে মারুফ কল কেটে দিল। শায়লার মাথায় তখন একটাই চিন্তা নিশিকুটুম্ব-টা তাহলে কে?
অশরীরি কেউ নাকি!
বই সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্যাদি:
বই :
জীর্ণপাতা
ধরণ :
গল্পের বই
লেখক :
মুহাম্মদ ফজলুল হক
FB Id :
www.facebook.com/f.hoq83
ই-মেইল
: f.hoq83@gmail.com
মোবাইল
: ০১৭১৫১৬৩৬১৫
প্রকাশক
: মেজর মো: তারেক মাহমুদ সরকার।
স্বত্বাধিকারী,
উদীয়মান লেখক ফোরাম, ঢাকা, বাংলাদেশ।
মোবাইল
: ০১৭৬৯- ৬০০১১৪.
ISBN -
স্বত্ত্ব
: লেখক
প্রথম
প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২০১৯
প্রচ্ছদ
: মুহাম্মদ ফজলুল হক।
মুদ্রণ
: পানকৌড়ি প্রিন্টার্স, তমিজিয়া শপিং কমপ্লেক্স
মিজান
রোড, ফেনী।
মোবাইল
: ০১৮১৭-০৫০৩০৯
Jirnopata (Story Book) by Md Fazlul Hoque, Published by
Muhammad Tareq Sarkar, Owner of Udiyomal Writers Forum, Dhaka, Bangladesh. Cell: 01769- 600114.
E-mail: tareq4002@mail.com.
Subscribe to:
Posts (Atom)








