Friday, May 25, 2018

জীর্ণপাতা-মুহাম্মদ ফজলুল হক

১ম ডিজিটাল ভার্সন





মূখবন্ধ:

মানব জীবনটা হচ্ছে পত্রপল্লবে সুশোভিত বৃক্ষের মতোএকেকটা লিখিত গল্প একেকটা ঝরাপাতার মতোপ্রত্যেকটা মানুষের জীবনে কম বেশি অসংখ্য গল্প আছেএকেকটা অখ্যাত মানুষের সেসব গল্প অন্য মানুষ হয়তোবা জানে, হয়তোবা জানে নাবিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গল্পের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছেন “জগতের শত শত অসমাপ্ত কথা যত// অকালের বিচ্ছিন্ন মুকুল// অকালের জীবনগুলো, অখ্যাত কীর্তির ধুলা// কত ভাব, কত ভয় ভুল তেমনই কিছু জীবনের গল্প নিয়ে আমার প্রথম গল্পের বই “জীর্ণপাতা”১৯৯৫ সালে যখন নবম শ্রেণীতে পড়ি তখন থেকে একটু একটু লেখালেখি করিএ বইয়ের গল্পগুলোর কিয়দংশ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল, আর কিছু ছিল অপ্রকাশিত

মানুষ দিন দিন বেশি যান্ত্রিক, বেশি ব্যস্ত হয়ে যাচ্ছেবড় আকারের লেখা কম সংখ্যক লোকেই পড়তে চায়ছোট লেখা বেশি সংখ্যক লোকে পড়তে আগ্রহী হয়সে জন্য আমি স্বল্পদৈর্ঘ্যের গল্প লেখার চেষ্টা করিএর কিছু ছোটগল্প আর কিছু অনুগল্পের পর্যায়ে পড়েশুধু অনুগল্প নিয়ে ভবিষ্যতে স্বতন্ত্র একটি গল্পের বই প্রকাশে আগ্রহীলেখক হিসেবে আমার হাত একেবারেই আনকোরাএকটি কাহিনী বা প্লটকে গল্পের ব্যাকরণে বা সাহিত্যমানে উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য কিছু নান্দনিক ও শিল্পশর্ত পূরণ করতে হয়আমি গল্প নামে যা লেখি, সেটা আদতেই গল্প হয় কি না, কিংবা সাহিত্যের ব্যাকরণিক দিকটি ছুঁয়ে যায় কি না, সেটা জানি নানিরন্তর মনের ভাবনা থেকে লিখি, পাঠককে ভাবানোর উপকরণ রাখার চেষ্টা করিআমার গল্পগুলি গল্প হোক কি না হোক, একান্ত শখের বশেই লেখা এবং বই প্রকাশ করাএ কয়টি গল্পের মধ্য থেকে দু একটা গল্পও যদি কোন পাঠকের ভাবায়, চিন্তার খোরাক দেয়, নূন্যতম ভাল লাগে, তবে আমার প্রচেষ্টা সার্থক হয়েছে বলে ধরে নেব 

মুহাম্মদ ফজলুল হক
ফেনী


লেখক পরিচিতি:


      মুহাম্মদ ফজলুল হক ফেনী জেলার ফুলগাজী থানার আমজাদ হাট ইউনিয়ন অন্তর্গত উত্তর তারাকুচা গ্রামে আব্দুল কাদের ও করফুলের নেছার ঔরসে ১৯৮৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। সাত ভাই ও ছয় বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট। সহধর্মীনি জাকিয়া সুলতানা রুমা একটি কলেজে ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক (এম.পি.ও ভূক্ত) হিসেবে কর্মরত আছেন৷ উনাদের একটি পুত্র সন্তান রয়েছেআহনাফ তাজওয়ার লাবীববয়স সাড়ে তিন বছর৷
      বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ফেনী জেলার স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আল জামেয়াতুল ফালাহিয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে দাখিল (এসএসসি) ও আলিম (এইচএসসি) পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ অর্জন করেন। ফেনী সরকারী কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে অনার্স ও ঢাকা কলেজ থেকে দ্বিতীয় শ্রেণী নিয়ে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন। পরবর্তীতে সাদার্ন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এমএ ডিগ্রী এবং বঙ্গবন্ধু ল’ টেম্পলচট্টগ্রাম থেকে এলএলবি ডিগ্রী অর্জন করেন। তাছাড়াও ইংরেজি ভাষা এবং কম্পিউটার বিষয়ে তিনি সংক্ষিপ্ত ডিপ্লোমা করেন। ভবিষ্যতে তিনি উচ্চতর গবেষণা করতে আগ্রহী।
     তিনি ছাত্রজীবনে ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। কলেজে ছাত্রাবাসসীমানা প্রাচীর নির্মাণ ও ছাত্র ছাত্রীদের ন্যায্য দাবী আদায়ের জন্য ২০০৩ সালে ফেনী সরকারী কলেজে গঠিত সর্বদলীয় ছাত্র-ঐক্যের সেক্রেটারি নির্বাচিত হন লেখক। উক্ত আন্দোলনের মুখে তৎকালীন সরকার ফেনী সরকারী কলেজের উন্মুক্ত সীমানায় প্রাচীর নির্মাণ ও বৃহৎ আকারে ছাত্রাবাস নির্মাণ করতে বাধ্য হন।
পেশাগত জীবনে লেখক ফেনী জেলার খ্যাতিমান প্রতিষ্ঠান শাহীন একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজে সহকারী শিক্ষক, মিশন ইন্টারন্যাশনাল কলেজ, আদাবর, শ্যামলী, ঢাকায় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে প্রভাষক, ফেনী কলেজিয়েট স্কুল এর অধ্যক্ষ এবং বীকন মডেল কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি চরলক্ষ্মীগঞ্জ নাজেরিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, কুঠিরহাট, সোনাগাজী, ফেনীতে স্নাতক পর্যায়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক (এম.পি.ও ভুক্ত) হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি ফেনী ভিক্টোরিয়া কলেজের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক।
লেখক ফেনী শহরে রিডার্স ফোরাম নামে একটি ষ্টাডি সার্কেল পরিচালনা করে আসছেন৷ ত্রৈমাসিক হুইশেল নামে একটি সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ করছেন৷ তিনি আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন লায়ন ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল এর ফেনী শাখার একজন সদস্য। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পত্রিকা ও ম্যাগাজিনের সম্পাদনা করেছেন৷ ফেনী সরকারী কলেজ এক্স স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন এর প্রতিষ্ঠাতা, রাষ্ট্রবিজ্ঞান এলামনাই এসোসিয়েশন এর প্রতিষ্ঠাতা অর্থসম্পাদক। বই পড়া আর ঘুরে বেড়ানো লেখকের অন্যতম শখ। দেশের অর্ধেকের বেশি জেলা এবং ভারতের ত্রিপুরা ভ্রমণ করেছেন তিনি। 

লেখকের প্রকাশিতব্য বইসমূহঃ
১) অনুগল্পের বই "অল্প কথার গল্প"৷
২) প্রবন্ধ সংকলন "বাৎচিৎ"৷
৩) ভ্রমণ কাহিনী "তেপান্তরের চুপকথা"৷
৪) কবিতার বই "অস্ফুট আস্ফালন"৷

বইটি সূচিপত্র:

০১) ছোট্ট বান্ধবী
০২) ফনিমনসার জোসনারাত
০৩) কালো মানিক
০৪) ফ্যাসাদ
০৫) ঝরা বকুল
০৬) রাতের অতিথি
০৭) তিন বন্ধুর বিদেশ গমন
০৮) বিরহ বিধূর হিয়া
০৯) রক্তমাখা কিশোরকন্ঠ
১০) সাপের মানিক
১১) উপস্থিত বুদ্ধি
১২) এক পলক
১৩) ভয়ংকর এক রাত
১৪) দ্বিগুন বৃদ্ধি
১৫) নিশিকুটুম্ব

একটু পড়ে দেখুন:


নিশিকুটুম্ব

বিশেষ কাজে শেষ রাতের ট্রেনে চট্টগ্রাম যাচ্ছেন মারুফস্ত্রী শায়লা আর ছোট বাচ্চাকে বাসায় রেখেই তিনি বের হলেনবৌ খুবই ভীতুর ডিম স্বামী বের হওয়ার পর বাচ্চাকে নিয়ে জড়িয়ে ধরে শুয়ে রইলেনএর আগে বাসার সব রুমের লাইট জ্বালিয়ে দিলেনগরম কাল হলেও ঘরের সব জানালা বন্ধ

শরীর ছম ছম করছে শায়লারমনে হচ্ছে অন্য কক্ষে কেউ হাঁটছেকিন্তু শোয়া থেকে উঠে গিয়ে দেখার মতো সাহস তার নেইমারুফ ট্রেনে উঠে বৌকে ফোন করে জানায়গন্তব্যে পৌঁছেও কল করেষ্টেশনের পৌছতে লাগে পনের মিনিটবাসা থেকে বের হল প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা হলএতক্ষণে ট্রেন ছাড়ার কথাকিন্তু মারুফ ফোন দেয়নিশায়লা চিন্তিত মনে কল দিতে গিয়ে দেখল মোবাইল বন্ধ! কয়েকবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হলরাত পোহানো আর ভোরের আলো ফোটার এখনো ঢের বাকিসেই পর্যন্ত অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নাই

আরো প্রায় পনের মিনিট পর দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ হল কয়েকবারশায়লা হতচকিত হয়ে পড়লদরজার লুকিং গ্লাস দিয়ে দেখলেন মারুফ দরজায় দাঁড়ানো! শায়লা তাড়াতাড়ি দরজা খুললে জিজ্ঞেস করলেন ফেরত আসলে কেন? মারুফ উত্তর দিলেন ট্রেন অনেক লেট

মারুফ ঘরে ঢুকে শায়লাকে বলল খুব খিদে পেয়েছে, খাবার কিছু আছে? শায়লা আশ্চর্য হয়ে বলল, তখনই তো ভাত খেয়ে বের হলাএত তাড়াতাড়ি খিদা লাগে কেমনে? শায়লা বলল, ফ্রিজ খুলে দেখো কি আছেঅলস শায়লা ছেলের পাশে গিয়ে শুয়ে রইলঘরে কেমন একটা অস্বস্তিকর ভোটকা গন্ধ ছড়াচ্ছেকিন্তু গন্ধটার উৎস বুঝা গেল নাসময় দেখার জন্য শায়লা মোবাইল স্ক্রিনে চোখ দিল, নেটওয়ার্ক একেবারেই নাই!

ফ্রিজ খুলে মারুফ কি কি যেন খেলইতিমধ্যে শায়লার চোখ বুঝে এলএর মধ্যে অনতিদূরে মসজিদে ফজরের আজান শুরু হলমারুফ শায়লাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে বলল ট্রেনের সময় হল, আমি আবার বের হলাম, দরজা বন্ধ করোশায়লা শোয়া থেকে অলসভাবে উঠে দরজা বন্ধ করে নিজ কক্ষে এসে আবার শুয়ে পড়ল

আনুমানিক মিনিট পাঁচেক যেতে না যেতেই শায়লার মোবাইল বেজে উঠলমারুফের ফোন! শায়লা চিন্তিত হল, এ মাত্র বের হল মারুফএত তাড়াতাড়ি ফোন দিল কেন? রিসিভ করার পর অপর প্রান্ত থেকে ঝাঁঝালো কণ্ঠে মারুফ বলল, কি ব্যাপার! সেই থেকে তোমার ফোনে ট্রাই করছি, ফোন বন্ধ রেখেছ কেন? শায়লা বলল, মানে? তুমি কই? মারুফ জবাব দিল, আমিতো ট্রেন থেকে চট্টগ্রাম স্টেশনে নামলাম মাত্রবাসা থেকে বের হয়ে স্টেশনে পৌছার কিছুক্ষণের মধ্যে ট্রেন ছেড়েছেতখন থেকেই তোমাকে ফোনে ট্রাই করছি, কিন্তু তোমার ফোন বন্ধ পাচ্ছিমারুফের কথা শুনে শায়লা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে রইলওদিক থেকে মারুফ হ্যালো হ্যালো করছে

শায়লা ফ্রিজ খুলে দেখল মিষ্টির প্যাকেট পুরাই খালি! অথচ প্রায় দু কেজি মিষ্টি ভর্তি ছিল প্যাকেটটাশায়লার মাথা ভোঁ ভোঁ করে ঘুরছেওদিক থেকে হ্যালো হ্যালো করে নেটওয়ার্ক সমস্যা মনে করে মারুফ কল কেটে দিলশায়লার মাথায় তখন একটাই চিন্তা নিশিকুটুম্ব-টা তাহলে কে? অশরীরি কেউ নাকি!



বই সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্যাদি:

বই : জীর্ণপাতা
ধরণ : গল্পের বই
লেখক : মুহাম্মদ ফজলুল হক
FB Id : www.facebook.com/f.hoq83
ই-মেইল : f.hoq83@gmail.com
মোবাইল : ০১৭১৫১৬৩৬১৫

প্রকাশক : মেজর মো: তারেক মাহমুদ সরকার।
স্বত্বাধিকারী, উদীয়মান লেখক ফোরাম, ঢাকা, বাংলাদেশ।
মোবাইল : ০১৭৬৯- ৬০০১১৪.
ISBN -

স্বত্ত্ব : লেখক
প্রথম প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২০১৯

প্রচ্ছদ : মুহাম্মদ ফজলুল হক।
মুদ্রণ : পানকৌড়ি প্রিন্টার্স, তমিজিয়া শপিং কমপ্লেক্স
মিজান রোড, ফেনী।
মোবাইল : ০১৮১৭-০৫০৩০৯

Jirnopata (Story Book) by Md Fazlul Hoque, Published by Muhammad Tareq Sarkar, Owner of Udiyomal Writers Forum, Dhaka, Bangladesh. Cell: 01769- 600114. E-mail: tareq4002@mail.com.

Wednesday, May 23, 2018

নীরব কবি কথা বলে-মোহাম্মদ দেলোয়ার মাষ্টার

ডিজিটাল প্রিন্ট ভার্সন-১




বই পরিচিতি:

কবির অনবদ্য সৃষ্টি এক একটি কবিতা। এই বইয়ে ৫৮ টি সনেট কবিতা স্থান পেয়েছে। প্রত্যেকটি কবিতা যেন হৃদয়ের প্রতিচ্ছবি হয়ে কথা বলে। দেশপ্রেমের কবিতার পাশাপাশি বিদ্রোহের কবিতায় যেন নতুন মাত্রা পেয়েছে বইটিতে। কবি মোহাম্মদ দেলোয়ার মাষ্টার সমসাময়িক কালে ঘটে যাওয়া সমাজের দুর্বলতা,ব্যর্থতাকে অত্যন্ত সুনিপুণভাবে উপস্থাপন করেছেন কবিতার মাধ্যমে। নিজেকে খুঁজে পাবেন  সবসময় কবিতার প্রতিটি চরণে। বেজে উঠুক মুক্তির ঘণ্টা বন্দী থাকা সব শিকলের বেড়াজাল থেকে কবিতার ঝংকারে।

লেখক পরিচিতি:


মোহাম্মদ দেলোয়ার মাষ্টার। তিনি ৩১শে মে ১৯৭৭সালে লক্ষ্মীপুর জেলার দক্ষিণ রায়পুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। রায়পুর সরকারি ডিগ্রি কলেজে পড়াশুনা করেন। নানা প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে জীবন সংগ্রামে নানা সময় নানা পেশায় আত্মনিয়োগ ক রেন। নেতিবাচকের সাথে আপোষহীন পথচলাই তাঁর কর্মপ্রেরণা। পারিবারিক জীবনে তিনি দুই কন্যা ও এক পুত্রের জনক।

বইটি কেন বেন:

১/ বই কিনে কেউ কোন দিন দেওলিয়া হয়না।
২/ বই কিনুন, বই পড়ুন, আপনার প্রিয়জনকে বই উপহার দিন।
৩/ হাজার টাকা সম্মাণী দেওয়ার চাইতে এক শত টাকার একটি বই পাঠকের কাছে অধিক মূল্যবান।
 ৪/ বেশী-বেশী বই কিনে বেশী-বেশী পড়ে বেশী-বেশী জ্ঞাণ অর্জন করুন।
 সকলের মঙ্গল কামনায় সাময়িক বিদায়। আজ আর নয়। আবার দেখা হবে নতুন বই দিয়ে। সুখে থাকা হয় যেন। আল্লাহ্ সহায় হউন।

খোদা হাফেজ। ফি আমানিল্লাহ্।।

বইটির সূচিপত্র:
জীবন – পতাকা ৭
অবুঝ মনের আত্ম বিলাপ ৮
অতৃপ্তি ৯
রাত জাগা পাখী ১০
আমার ছোটবেলা ১১
পোড়া মনের বাসনা ১২
রসিকতা ১৩
প্রিয় কবিতা ১৪
কুনো ব্যাঙের স্বপ্ন ১৫
পরম তৃপ্তি ১৬
জীবন বাজী ১৭
অসময়ের বন্দ্বু ১৮
হাওয়া পাড়া ১৯
আমি নই অন্য কারো ২০
জন্ম পরিচয় ২১
ঘৃনার পাত্র ২২
পাথেয় ২৩
ষোল কলা পূর্ণ ২৪
স্মৃতি তুমি বেদনা ২৫
আত্ম ভোলা ২৬
হযরত মুছা ( আঃ) এর ছেলে বেলা ২৭
কি করলে কি হয় ২৮
হৃদয়ের কথা ২৯
নতুন জামা ৩০
মরিচিকা ৩১
দাপট ৩২
দুই এর মিলন ৩৩
রাজ সিংহাসন ৩৪
সাক্ষী ৩৫
স্বাধীনতা ৩৬
বাণ ৩৭
কৃষক ও মাঝি ৩৮
নীরব কান্না ৩৯
প্রশ্ন-উত্তর ৪০
সোনালী নিবাস ৪১
মা ৪২
ক্ষণিকের প্রেম ৪৩
প্রত্যাবর্তন ৪৪
উপদেশ ৪৫
দু:খ-সুখ ৪৬
সংশোধন ৪৭
বিভ্রান্তি ৪৮
জিহাদ ৪৯
ধিক্কার ৫০
বিরতি ৫১
পরিণতি ৫২
নীলাকাশ ৫৩
বিদ্রোহ ৫৪
চোখ খোলা ৫৫
ঈমান পরীক্ষা ৫৬
জীবন প্রবাহ ৫৭
ঠিকানা ৫৮
সাহস ৫৯
প্রতিফল ৬০
বিরহ-মিলন ৬১
হাসান ও হোসেনের ঈদ ৬২
বোকা কাক ৬৩

ভেতর-বাহির ৬৪

একটু পড়ে দেখুন:

জীবন-পতাকা

লাল-সবুজে আঁকা, আমাদের পতাকা,
পত-পত করে উড়ে, যেমন বলাকা।
তীরের মত দাঁড়ানো, বাঁশের শলাকা,
শক্ত করে ধরে রাখে, মা-মল্লিকা।
তার কাছে জানা আছে, শহীদ তালিকা,
মিলে করি স্মরণ, বালক-বালিকা।

মিট-মিট করে হাসে, শুনে সে ডংকা,
সেই হাসিই হল, মনের আশংকা।
কেউ যদি থেমে দেয়, উড়া আচমকা!
ছড়িয়ে-ছিটিয়ে দেয়, বারুদ-লংকা!!
লাগাতে দেব না তাকে, ধূসর বালুকা ,
শিরে নেব বেঁধে, লাল-সবুজ শালুকা।
থাকিতে দেহে প্রাণ-, নাহি পরিব শাখা,

প্রাণের চেয়েও প্রিয়, আমার পতাকা।।

বই সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্যাদি:

গ্রন্থস্বত্ব 
: লেখক

প্রকাশকাল            
:  ই-বুক পিডিএফ র্ভাসন:  ১৫ জুন ২০১৮                     
:  ডিজিটাল প্রিন্ট র্ভাসন-১:  ১৫ জুন ২০১৮ (৫ কপি)                       
:  প্রথম প্রেস র্ভাসন প্রক্রিয়াধীন

মুদ্রণে
:  উদীয়মান লেখক ফোরাম

বাঁধাইয়ে
:  ইসমাইল,নীলখেত

মূল্য
:  পিডিএফ র্ভাসন ৫০ টাকা বিদেশে দুই ডলার।
:  ডিজিটাল প্রিন্ট র্ভার্সন ১৭০ টাকা বিদেশে চার ডলার।
:  প্রেস র্ভাসন ১২০ টাকা বিদেশে তিন ডলার।

আইএসবিএন : 
আবেদন প্রক্রিয়াধীন

Monday, May 21, 2018

নীল জ্যোৎস্না-মোঃ রবিউল হোসেন



বই পরিচিতি:

"নীল জোত্‍স্না" বইটি সাজানো হয়েছে "নীল জোত্‍স্না" আর "পূর্নিমায় জল" এই দুইটা গল্প দিয়ে
নীল জোত্‍স্না:- গল্পটি মূলত সমাজিক গল্প অনিমা আর অর্ক দুইজন দুইজনকে চায়, কিন্তু অনিমার বিয়ে ঠিক হয় সোহানের সাথে বাবা মায়ের ইচ্ছের সাথে নিজের পছন্দ নিয়ে মানসিক অস্থিয়তায় পড়ে যায় অনিমা তারপরে? কি করে অনিমা, সোহান আর অর্ক? ঘটনার ঘটনায় এগিয়ে চলে জীবন

পূর্নিমায় জল:- এই গল্পটি পারিবারিক সামাজিক গল্প একটি পত্রিকার সাংবাদিকের সাথে কক্সবাজারে পরিচয় হয় একটি মেয়ের তারপরে ভাললাগা, অতঃপর বিয়ে জীবন এগিয়ে চলে কি হয় তাদের জীবনে? জানতে হলে গল্পটি এখনই পড়ে ফেলুন

লেখক পরিচিতি:

মোঃ রবিউল হোসেন- এর জন্ম ৩ ই জানুয়ারী ১৯৯৩ সালে পৈত্রিক বাড়ী কুমিল্লা জেলায় শৈশব কেটেছে চট্রগ্রামের খুলশী থানার অর্ন্তগত পাহাড়ী এলাকায় 
ওমর গনি এম. ই. এস. কলেজ থেকে ২০১১ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন বর্তমানে চট্রগ্রামের একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন
লেখালেখি শুরু করেন স্কুল জীবন থেকেই প্রথমে লেখালেখি শুরু করেন কবিতা দিয়ে বর্তমানে গল্প লিখছেন নিয়মিত ফেসবুকে নিয়মিত লেখালেখি করেন বাংলাহাব ব্লগে প্রথম প্রকাশিত হয় তাঁর গল্প

"নীল জোত্‍স্না" তাঁর রচিত প্রথম গল্পগ্রন্থ

বইটি কেন কিনবেন:

যারা বই পড়েন, তাদের কাছে প্রতিটা বই ই যেন এক একটা পৃথিবী প্রতিটা বই পাঠককে নিয়ে যায় অন্য এক রাজ্যে তে "নীল জোত্‍স্না" বইটিতে দুইটি গল্প আছে "নীল জোত্‍স্না" ও "পূর্নিমায় জল" গল্পগুলা অর্থনৈতিক ও সামাজিক গল্প নীল জোত্‍স্না গল্পটিতে পাবেন একটি শিক্ষিত মেয়ের মানসিক টানাপোড়নের কাহিনী যে ভালবাসে একজন কে, কিন্তু পরিবার ও সামাজিকতার কারনে শুরু হয় তার মানসিক অস্থিরতা কি হয় অনিমা, সোহান আর অর্কের জীবনে? জানতে হলে গল্পটি পড়ে ফেলুন

পূর্নিমায় জল গল্পটি একটু ভিন্ন আঙ্গিকে করা একটি পত্রিকার সাংবাদিকের পারিবারিক ও ব্যক্তিগত প্রেমের কাহিনী নিয়ে গল্পটি সাজানো কি ঘটে যায় তার জীবনে? এক বসাতে গল্পটি পড়ে ফেলুন আশা করি আপনি গল্পটির ভিতরে হারিয়ে যাবেন

বইটির সূচিপত্র:

নীল জ্যোৎস্না

পূর্নিমার জল

একটু পড়ে দেখুন:
নীল জোৎস্না

এক
অনিমা কলেজ থেকে বের হয়ে সোজা কলেজ লাইব্রেরিতে গিয়ে বসে যেদিন কলেজে আসে সেইদিনেরই এটা একটা রুটিন কাজ কারন লাইব্ররিতেই তার বান্ধবি পপি আসবে পপির সাথে অনিমার বন্ধুত্ব অনেক দিনের, সেই ইন্টারে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই দুজনের বন্ধুত্ব হয়, যা এখনও টিকে আছে তারা একে অপরকে খুব ভাল করে বোঝে, সেজন্যই দিন দিন বন্ধুত্বটা আরো গভীর হচ্ছে অনিমার সুখ- দুঃখ মানেই পপি, আর পপির সুখ-দুঃখ মানেই অনিমা এজন্য কলেজে সবাই তাদেরকে মানিক জোড়া বলে ডাকে অনিমা অনার্স করছে
বাংলায়, আর পপি অনার্স করছে অর্থনীতি তে আর দুজনেই পি
এইচ ডি করছে প্রেম নিয়ে দুজনেরই কিউট দুইটা লাভার আছে
অনিমার লাভার অর্ক তাকে প্রতিদিন কলেজ থেকে বাসায় যাওয়ার
সময় অনেকটা পথ এগিয়ে দিয়ে আসে অর্ক আসার আগ
পর্যন্ত অনিমা পপির সাথে গল্প করে সময় কাটায় পপির সাথে গল্প
করে নানা বিষয় নিয়ে, এটা-সেটা, পারিবারিক বিষয় আর ব্যক্তিগত বিষয়
নিয়েও অর্ককে নিয়েও পপির সাথে গল্প হয় পপি অর্ক
ছলেটাকে খুব দেখতে পারে সে মাঝে মাঝেই অনিমাকে
বলে- "কেন যে অর্কটার সাথে তোর আগে আমার সাথে
দেখা হলো না! তাহলে প্রেমটা অর্কের সাথে আমিই করতাম,
তোকে কোন চান্সই দিতাম না" আজকে কিছু গরবর হয়েছে
মনে হচ্ছে অনিমা অনেকক্ষন লাইব্রেরিতে বসে আসে, না
পপির দেখা পাওয়া যাচ্ছে, না অর্ক ফোন দিচ্ছে অপেক্ষা
করতে ভালো লাগেনা, পৃথিবীতে অপেক্ষার চেয়ে
বিরক্তকর কিছু নেই আর কোনদিন কিছু আসবেও না অনিমা চলে
যাবে কিনা চিন্তা করছে এমন সময় পপি হন্তদন্ত হয়ে
লাইব্রেরিতে আসল-
-দোস্ত, সরি
-দেরি করলি কেন?
-আর বলিস না! ম্যাডাম দেরি করিয়ে দিল আমাকে এখনই বের
হতে হবে রে
-কেন?
-ও (পপির লাভার দিপ্ত) চলে আসছে আমার জন্য বাইরে দাড়িয়ে
আছে
-হুম, আচ্ছা অনিমার মুখটা কালো হয়ে গেল
-অর্ক আসে নাই?
-না
যেই বলা ওমনি অনিমার মোবাইলটা বাজতে শুরু করলো পপি
হেসে দিয়ে বললো যান ম্যাডাম, আপনারও ডাক পড়ল
-হুম, যাইরে
পপি দ্রুত চলে গেল এখন প্রতিটা সেকেন্ড পপির কাছে মহামূল্যবান, কারন দীপ্ত অপেক্ষা করছে শুধুমাত্র তারই জন্য তাছাড়া ভেতর থেকে দীপ্ত কে দেখার জন্য একটা তাড়া কাজ করে পপির
অনিমা লাইব্রেরি থেকে বের হয়ে ফোন রিসিব করলো-

-হ্যালো


বই সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্যাদি:

গ্রন্থস্বত্ব 
: লেখক

প্রকাশকাল            
:  ই-বুক পিডিএফ র্ভাসন:  ১৫ জুন ২০১৮                     
:  ডিজিটাল প্রিন্ট র্ভাসন-১:  ১৫ জুন ২০১৮ (৫ কপি)                       
:  প্রথম প্রেস র্ভাসন প্রক্রিয়াধীন

মুদ্রণে
:  উদীয়মান লেখক ফোরাম

বাঁধাইয়ে
:  ইসমাইল,নীলখেত

মূল্য
:  পিডিএফ র্ভাসন ১০০ টাকা বিদেশে দুই ডলার।
:  ডিজিটাল প্রিন্ট র্ভার্সন ২২৫ টাকা বিদেশে চার ডলার।
:  প্রেস র্ভাসন ১৭০ টাকা বিদেশে তিন ডলার।

আইএসবিএন : 
আবেদন প্রক্রিয়াধীন