Saturday, April 28, 2018

জননীর মূখটা অন্ধকার-মো. মেহেদি হাসান সীমান্ত

ডিজিটাল প্রিন্ট র্ভাসন-১


বই পরিচিতি:


ক‌বিতার বইটিতে ৪৬ টি‌ কবিতা রয়েছে। লেখক সমাজের  মাদকের আগ্রাসন থে‌কে দেশ‌কে মুক্ত কর‌তে ব্রতী হ‌য়েছেন কবিতার লেখনী‌তে । কবি তার সা‌হি‌ত্যের সমস্ত শক্তিকে বি‌নি‌য়োগ করেছেন সমাজ‌কে মাদক-মুক্ত কর‌তে। সাহিত্য মাদক‌ বি‌রোধী চিন্তায় এবং এককভাবে মাদকের বিরুদ্ধে আপোষহীন সা‌হিত্যিক লড়াই কর‌ে লেখক হ‌য়ে‌ছেন অনন্য। বই‌য়ের প্রতিটি পংক্তি‌তে র‌য়ে‌ছে মাদক কিভাবে আমা‌দের ধ্বংস করছে তার বর্ণনা। লেখকের আহবান হল সেই  পঙ্কিলতা থেকে বের হ‌য়ে আসা। মা‌য়ের মুখটা আজ অন্ধকারে ছে‌য়ে গেছে কারণ মা‌য়ের সন্তানরা আজ ভাল নেই। তারা মরণ নেশা মাদকে আসক্ত। তা‌দেরকে মাদক থেকে মুক্ত ক‌রে মা‌য়ের মুখে হাঁসি ফুটা‌তে হবে। তেমনি শুরু থেকে শেষ প্রতিটি কবিতায় রয়েছে সমাজ সচেতনতার জন্য মাদকের ভয়াবহতার বর্ণনা তেমনি রয়েছে উত্তোর‌ণের পথ। কবিতাগুলি পড়ে মাদক সচেতন হিসাবে আমাদের অনুভূতি জাগ্রত হবে।


লেখক পরিচিতি:




মেহেদী হাসান সীমান্ত ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ৮ ই জুন (২৫শে জ্যৈষ্ঠ ১৪০৪ বঙ্গাব্দ) গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার কামারপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা ওসমান গণি মণ্ডল ও মাতা সবিতা বেগমের তিন সন্তানের মাঝে তিনি দ্বিতীয় । গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী শেষেজুমারবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় হতে এসএসসি  ও সাঘাটা ডিগ্রী কলেজ হতে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি পরীক্ষায় সাফল্যের সহিত উত্তীর্ণ হয়ে বর্তমানে ঈশ্বরদী সরকারী কলেজে পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক সম্মানে অধ্যয়নরত। শিশুকাল হতেই তিনি অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে অত্যন্ত বলিষ্ঠসংগ্রামী মনোভাবের অধিকারী এবং মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের আদর্শধারী। কবিতাছোট গল্পউপন্যাসপ্রবন্ধ ও সঙ্গীতসহ সাহিত্যের প্রায় সকল শাখায় আপন প্রতিভার বিকাশ করে চলেছেন। জননীর মুখটা অন্ধকার কাব্যগ্রন্থ  প্রকাশের মাধ্যমে তিনি তার সংগ্রামী প্রতিভাকে জগতে ছড়িয়ে দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। তাঁর বিশ্বাস বর্তমান তরুণ সমাজ মাদকজঙ্গি ও সন্ত্রাসের যে অন্ধকার দেয়ালে আবদ্ধ জননীর মুখটা অন্ধকার কাব্যগ্রন্থটি ঈশ্বরের কৃপায় সে অন্ধকার থেকে তরুণ সমাজকে আলোর পথে ফেরাতে অত্যন্ত কার্যকারী ভূমিকা রাখবে। তিনি সকলের দোয়া প্রার্থী ও সহযোগিতা কামী। 

বইটি কেন কিনবেন:

মাদক সমাজের ভয়ানক অভিশাপ। কবিতা লিখা হয় জীবনের বৈচিত্র্য নি‌য়ে। রোমা‌ন্টিকতা‌ নি‌য়ে। বি‌দ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম সমাদৃত হ‌য়ে ‌ছি‌লেন ব্রিটিশ বিরোধী আ‌ন্দোল‌নে। আজ আমা‌দের প্রিয় মাতৃভূমিতে ব্রিটিশ নাই, পা‌কিস্থানী নাই। রাজাকার‌দের ফাঁসি হ‌য়ে‌ছে। তদুপরি আমরা এক অশুভ শক্তির কাছে জিম্মি। সেটা মাদক ও মাদকের করাল গ্রাস। ক‌বিতা প্রেমীরা মাদক বিরোধী ক‌বিতাগু‌লো পড়বেন ও অন্য‌কে শোনা‌বেন। সচেতন করবেন আপনার প্রিয় মানুষ‌দের। মাদক‌ বি‌রোধী কবিকে অনুপ্রাণিত করবেন তার কবিতা পড়বেন।

বইটি সূচিপত্র:

জননীর মুখটা অন্ধকার ৭
অভিশাপ ৯
দুর্গন্ধ ১১
অন্ধকার জগৎ ১২
মাতাল ১৩
খেলার পুতুল ১৪
দুর্বল ১৫
ধর্মীয় জ্ঞান ১৬
জঙ্গিবাদের দুঃখ ১৭
ঘৃণার পাত্র ১৮
শেষকৃত্য ১৯
ঘৃণ্য পথ ২১
ধর্মের অপব্যাখ্যা ২৪
অস্ত্রের লোভ ২৬
পথের ফকির ২৭
পাগল ২৮
হারিয়ে যায় কর্মে পারদর্শিতা ২৯
লুকিয়ে বাস ৩০
কর্মক্ষেত্রে অগ্রাহ্য ৩১
অলসতা ৩২
কর্ম-বিমুখ ৩৩
জীবন্ত লাশ ৩৪
অধ্যাঙ্গীর  চোখে মাদকসেবী ৩৫
মাদকে বিপদ চাপে ৩৬
থুথু নিফেপ ৩৮
আত্মীয়তা ৩৯
ধর্মমতে সন্ন্যাসী ৪০
ওদের বন্ধু ৪২
মাদকে বনে চোর ৪৩
মাদকের ছোবল ৪৪
দুরে থাকো ৪৫
জনতা চলে ভিন্ন পথে ৪৭
গৌরব নেই ৪৮
সন্ত্রাসীর শেষকাল ৪৯
কেন জঙ্গি তুমি ৫১
মুখে কেন মাদক ৫৩
ওদের বন্দী কারো ৫৪
অকাল মৃত্যু ৫৫
কুকুরের বেশে ৫৬
ঘাতক ৫৭
একগুঁয়েমি ৫৮
অপচয়  ৫৯
জুয়ার গুটি  ৬০
জুয়ার আসর ৬১
কর্মবীহিন জীবন ৬২
শূন্য পকেট ৬৩

একটু পড়ে দেখুন:
জননীর মুখটা অন্ধকার
যে সন্তানকে লালন পালন করে ।
কত ত্যাগ স্বীকার করিয়া জননী।
কতদিন কাটায় নিজে অনাহারে।
তবুও সন্তানকে  খাওয়ায় পেট পুরে।
অসুখে- বিসুখে,
কত রাত্রি জেগে,
তন্দ্রাকে হারাম করে,
করে সেবা শুশ্রুষা।
কত কষ্ট করে।
জোগায় লেখাপড়ার অর্থ।
তাহার কি নেই কোন আশা,
সে সন্তানকে ঘিরে?
তার কি চাহেনা, হৃদয়টা,
সন্তানটা হোক আদর্শ মানুষ?
তবে সে সন্তানই যদি ।
পড়ে মাদকের কোপানলে।
তবে সে সন্তানই যদি,
জড়ায় সন্ত্রাসের আখড়াতে ,
তবে সে সন্তানই যদি ,
যুক্ত হয় জঙ্গির দলে।
তবে জনীর হৃদয়টা ,
কতটা যে দুঃখের জলে, যায় ডুবে,
মুখখানতেইতো অনুমান করা যায়,
সে দুঃখের খানিক ধাপ।
কেনই বা হবেনা এমন ?
সন্তাই সে একজন জননীর,
ধরণীর মাঝে শ্রেষ্ঠ ধন।
সে সন্তানই যদি যায় বিপথে,
সকল আশায় বালি মেখে,
তবে জননীর বেঁচে থাকাতে ।
জীবন্ত লাশের মত ।
তবুও কোন জড়াবে মাদকের কোপানলে।
তবুও কেন জড়াবে,
সন্ত্রাসের আখড়াতে ,
তবুও কেন জড়াবে।
জঙ্গির দলে,
জননীর আশায় বালি মেখে।
জননীর মুখেই যে ,
স্বর্গ নরকের পরশ পাথর,
তবে সে মুখটা যখন,
থাকবে দুঃখের সাগরে।
কেমনে মিলিবে স্বর্গ তোমার জীবনে,
নরকই তো হবে তোমার চির স্থান।
তাইতো এ নরকের পথ হতে,
নিজেকে রাখো দুরে।
জননীর মুখটাতে যেন,
বহে প্রশান্তির হাওয়া ।
সে পথেই চলো তুমি ,
তাবেই তো মিলিবে স্বর্গ।

বই সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্যাদি:

গ্রন্থস্বত্ব 
: লেখক

প্রকাশকাল            
:  ই-বুক পিডিএফ র্ভাসন: ০১ র্মাচ ২০১৮                     
:  ডিজিটাল প্রিন্ট র্ভাসন-১:  ০১ র্মাচ ২০১৮(৬ কপি)                       
:  প্রথম প্রেস র্ভাসন প্রক্রিয়াধীন

মুদ্রণে
:  উদীয়মান লেখক ফোরাম

বাঁধাইয়ে
:  ইসমাইল,নীলখেত

মূল্য
:  পিডিএফ র্ভাসন ৫০ টাকা বিদেশে দুই ডলার।
:  ডিজিটাল প্রিন্ট র্ভার্সন ১৬০ টাকা বিদেশে চার ডলার।
:  প্রেস র্ভাসন ১২০ টাকা বিদেশে তিন ডলার।

আইএসবিএন : 
আবেদন প্রক্রিয়াধীন


Monday, April 16, 2018

অশনিসংকেত-মো. মাজহারুল কবির তুহিন

ডিজিটাল প্রিন্ট র্ভাসন-১




বই পরিচিতি:

কিছু কাব্যগ্রন্থ থাকে যা স্পর্শ করে পাঠকের বোধ ও অনুভূতি। যার একেকটা কাব্যর আড়ালে লুকিয়ে থাকে অসংখ্য পৃষ্ঠার অধ্যায়ন। তেমনি একটি কাব্যগ্রন্থ অশনিসংকেত।
গ্রন্থটিতে লেখকের ৫০ টি কবিতা স্থান পেয়েছে।কবিতাগুলোতে লেখক সহজ ও সাবলীল ভাষায় ইসলামের বিভিন্ন বিষয়কে তুলে ধরেছেন। যার মধ্যে রয়েছে মহান রবের প্রতি প্রার্থনা, রাসুল সাঃ প্রতি দুরুদ ও সালাম,ইসলামকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের পূর্বাভাস  , নাস্তিক্যবাদের পরিণতি , যুবকদের প্রতি আহবান,ভিন্নরূপে প্রকৃতিকে দর্শন, দেশপ্রেম ও মুসলিম উম্মাহর অশনিসংকেত।

সকল  কাব্যপ্রেমিদের, আত্মার খোরাক জোগাতে ইসলামী ধারার এই কাব্যগ্রন্থটি অনুপ্রাণিত করবে, ইনশাআল্লাহ

লেখক পরিচিতি:

মোঃ মাজহারুল কবির তুহিন পিতাঃ এ,বি,এম শাহজাহান কবির মাতাঃ মারজাহান আক্তার স্থায়ী ঠিকানাঃ গ্রাম- ধন্যপুর থানা- চাটখিল, জেলা- নোয়াখালী পড়াশোনাঃ কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট সমাপ্ত করার পর কম্পিউটার সাইন্স নিয়ে পড়াশোনা করেন।

বইটি কেন কিনবেন:

বইটিতে লেখক তার হৃদয়ের অভিব্যক্তিগুলোকে কাব্য তুলির আঁচড়ে ইসলামী ভাবধারায় তুলে ধরেছেন। যার মধ্যে ফুটে উঠেছে বাস্তবিক ও সাম্প্রতিক বিষয়াবলীর সুন্দর ও সাবলীল চিত্র। লেখকের এই ব্যতিক্রমতায়  আমরাও বইটির পাঠক হতে পারি। অনুভব করতে পারি লেখকের হৃদয়ের স্পন্দন।

বইটি সূচিপত্র:

প্রার্থনা-০৯
প্রেমাষ্পদের খোঁজে-১০
ধর্ম যার উৎসব তার-১১
শ্রেষ্ঠ রাসুল মোহাম্মদ সাঃ-১২ 
অশনিসংকেত(১)-১৪ 
অশনিসংকেত(২)-১৫ 
মদিনা কামলিওয়ালা-১৬
রাসুলের আহবান-১৭
কুলাঙ্গার ধর্ষক-১৮ 
আমার মা-১৯
জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান-২০  
শীত এসেছে-২১   
শীতের দোলা-২২  
অদ্ভুত রাত্রি-২৩    
বসন্তের আগমন-২৪ 
শ্রেষ্ঠ জাতি মুসলমান-২৫  
ফিরে এসো মুসলমান-২৬
লাশ-২৭  
উপদেশ-২৮
উপদেশ(২)-২৯
মুসলিম সংকট সমাধান-৩০ 
তাবলীগের পরশে-৩২    
দুঃস্বপ্ন-৩৫   
ইসলামী সংস্কৃতি-৩৬   
লেবাসধারী-৩৮  
দুনিয়ার কিট নাস্তিক-৩৯ 
হে নাস্তিক-৪০ 
জেরুজালেম-৪১  
বাংলা আমার-৪২
ডিসেম্বর-৪৩   
স্মরণে মার্চ -৪৪   
বন্ধু নির্বাচন-৪৫
এ কেমন বর্ষবরণ-৪৬   
ভুল ধরা-৪৭ 
মদিনার প্রেম-৪৮  
ভন্ড আশেকে রাসূল-৪৯
স্রষ্টা যিনি-৫০
সুযোগ সন্ধানী-৫১ 
তাহাজ্জুদের আহবান-৫২                     
পার্থক্য-৫৩  
সিরিয়া জুড়ে-৫৪ 
কন্ঠের ফেরিওয়ালা-৫৫  
পরম সুধা-৫৬
মিছে জীবন-৫৭ 
সম্পর্ক-৫৮
ইসলামে নারীর অধিকার-৫৯
পাখির বাসা-৬০   
এলো মাহে রমজান-৬১

কবিতা-৬২    

একটু পড়ে দেখুন:
প্রার্থনা
রিক্ত হস্তে, করি মোনাজাত
ক্ষমা করো প্রভু, আমার অপরাধ।
ছেয়ে গেছে হৃদয় , ঘন তমসায়।
তুলেছি দুহাত ক্ষমারই আশায়।

আমি অপরাধী, ক্ষমার অযোগ্য।
তুমি গাফফার, ক্ষমাশীল অনন্ত।
আমি জালেমজুলুম করেছি। 
তুমি রহমান, বর্ষাও রহমতের বৃষ্টি।

তাকিওনা মোর, গুনাহের দিকে। 
করো ক্ষমা, রহিম নামের গুনে।

জান্নাত জাহান্নাম, সবই তোমার সৃষ্টি
দেহ খানি মোর, জাহান্নাম উপযোগী।
যদি ছুড়ে ফেলো মোরে, সেখানে ওগো তুমি।
কি লাভ কি ক্ষতি, কিছুই হবেনা তোমারি।

তব দিয় জান্নাত মোরে,
তুমি দয়াময় ওগো আমারি।
তোমারই রয়েছে, হিসাবহীন মাখলুক।
তুমি ছাড়া মোর, নেইকো কোন মাবুদ।
যদি ফিরিয়ে দাও মোরে, দরওয়াজা থেকে।
আছে কি কেউ, খুলে টেনে নিবে মোরে
ওগো রহমান, তুমিতো মহান

ক্ষমা কর মোরে, তুমি যে মহিয়ান।

বই সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্যাদি:

গ্রন্থস্বত্ব 
: লেখক

প্রকাশকাল            
:  ই-বুক পিডিএফ র্ভাসন: ০১ র্মাচ ২০১৮                     
:  ডিজিটাল প্রিন্ট র্ভাসন-১:  ০১ র্মাচ ২০১৮(৬ কপি)                       
:  প্রথম প্রেস র্ভাসন প্রক্রিয়াধীন

মুদ্রণে
:  উদীয়মান লেখক ফোরাম

বাঁধাইয়ে
:  ইসমাইল,নীলখেত

মূল্য
:  পিডিএফ র্ভাসন ৫০ টাকা বিদেশে দুই ডলার।
:  ডিজিটাল প্রিন্ট র্ভার্সন ১৬০ টাকা বিদেশে চার ডলার।
:  প্রেস র্ভাসন ১২০ টাকা বিদেশে তিন ডলার।

আইএসবিএন : 
আবেদন প্রক্রিয়াধীন

Sunday, April 15, 2018

অপেক্ষা-ফাতেমা আহমেদ



বই পরিচিতি:


লেখিকার আটটি গল্প স্থান পেয়েছে বইটিতে। গল্পগু‌লি বৈচিত্রময়। নারীর নারীত্বের মহিমায় লেখা গল্পগু‌লি সুখপাঠ্য। আমা‌দের জীবনের খণ্ডিত চিত্রগু‌লি হল এক এক‌টি গল্প। সেই রূপ খণ্ড চিত্রগু‌লি‌কে লেখিকা অত্যন্ত সযত্নে সুললিত ভাষায় ফ্রেমে আবদ্ধ করেছেন। এক এক‌টি ফ্রেমে র‌য়ে‌ছে একেক ধরনের খণ্ড চিত্র। যা আমা‌দের জীবন নি‌য়ে নতুন ভাবে ভাবনার জগৎ এ নি‌য়ে যাবে। মনে হবে এভাবে জীবন হোচট খেল কেন? এভাবে না হ‌য়ে ওভাবে হ‌তে পারত? পরিশেষে প্রতিটি ফ্রেমের খণ্ড চিত্রগু‌লি‌তে রয়েছে সুগভীর অনুভূতি যা মনকে নাড়া দিবে। অনুভূতিকে সচেতন করবে। বেঁচে থাকার সার্থকতা পে‌তে আমরা জীবন‌কে নি‌য়ে নতুন ভাবে ভাবব। বইটি পড়ায় প্রতিটি সময় হবে সার্থকতায় পূর্ণ।


লেখিকা পরিচিতি:

ফাতেমা আহমেদ একজন গল্প প্রেমী। গল্প লিখতে এবং পড়তে খুব ভালোবাসেন। নিত্য নতুন লেখক/লেখিকার গল্প পড়ে গল্প লেখার চেষ্টা করতে থাকেন। এক সময় ২০১৭ সালে নবম শ্রেনীতে পড়াশোনা কালীন তিনি ফেসবুকের মাধ্যমে নিজের লেখা তুলে ধরেন। বিভিন্ন গ্রুপ, পেজ এবং নিজের টাইম লাইনে গল্প লিখে পাঠক/পাঠিকার উৎসাহ পেয়ে তিনি নিয়মিত গল্প লেখা শুরু করেন। তিনি চাদপুর জেলার সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। বাবা মায়ের দুই সন্তানের মধ্যে তিনি কনিষ্ঠ। তিনি জীবনের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে চান। সত্য ঘটনা অবলম্বনে, বাস্তবতার চিত্র ফুঁটিয়ে তুলে তিনি গল্পঘর সাজাতে চান।

“উদীয়মান লেখক ফোরাম”এর মাধ্যমে তিনি প্রথম বই প্রকাশের অনুপ্রেরনা পান।

বইটি কেন কিনবেন:


বাজারে লক্ষ বই আছে।
এর মধ্যে এই বইটির বিশেষত্ব কি?
বিশেষত্ব আছে। বইটিতে একজন নারী তার নারীত্বের দৃষ্টি নিয়ে জীবনের বাস্তব ঘটনাগুলো অবলোকন করেছেন। তিনি তা মানুষের সচেতনতায় তুলে ধরেন। এটি ব্যতিক্রমধর্মী অপূর্ব সাহিত্য কর্ম। সাহিত্যের এই ব্যতিক্রমতায় আমরাও বইটির পাঠক হতে পারি। অনুভব করতে পারি

পাঠিকার হৃদয়ের স্পন্দন

বইটি সূচিপত্র:

অপেক্ষা  ৭-১৩
গল্প হলেও সত্যি  ১৪-৩০
নির্দয় ভাগ্য  ৩১-৩৯
নির্মমতা  ৪০-৪৬
স্বামীর সংসার  ৪৭-৫৪
মায়া  ৫৪-৫৮
উড়ে গেলো মন পায়রা গুলো  ৬০-৬৬
শিউলি সকাল  ৬৭-৮০


একটু পড়ে দেখুন:


অপেক্ষা

আসবে সে ফিরে আসবে।
তাকে ফিরে আসতে হবে।
মেঘনা নদীর তীর ধরে আমায় সঙ্গে নিয়ে হাঁটতে হবে। নৌকায় করে মাঝ নদীতে আমায় নিতে হবে।
নীল চুড়ি,গেঁন্ধা ফুল আমায় দিতেই হবে।
' নূর ' তোমাকে ফিরে আসতেই হবে।
তুমি শূন্যতা আমার ডায়রী জানে, তুমি শূন্যতা মেঘনা নদী জানে, তুমি শূন্যতা ভেঙ্গে যাওয়া ডুবন্ত নৌকা জানে, শুধু তুমি জানো না, জানবে না কোন দিন? জানতে চাইবে না কোন দিন?
তুমিহীনা কত ভালো আছি!!
' নূর ' দেখো দুনিয়া কত আধুনিক হয়েছে, মানুষ কত পরিবর্তন হয়েছে, জানো আমাদের ছোট্টু বিয়ে করেছে, ছোট্টু বাবা হয়েছে, ছোট্টুর ছেলে আমায় নূফু বলে ডাকে, নূফু কেন ডাকে জানো? নূ- নূর,ফু-ফুফি, ছোট্টুর ছেলে ছোটন খুব পাকা হয়েছে জানো তো, খুব দুষ্টু, সারা দিন ছুটাছুটি করে বেড়ায়, একদম পড়তে চায় না, আচ্ছা তুমি বলো পড়াশুনা ছাড়া কি কিছু হবে?
আজও সে কোন উত্তর দিলো না, ডায়রীর অপর পৃষ্ঠায় কলম রেখে দু'চোখ বন্ধ করলাম।
মনে হয় সেদিনের কথা- নূর আর আমি হাত ধরে ক্ষেতের মাঝখান দিয়ে দৌড়ে যাচ্ছি, পিছন থেকে নূর যতই ' বউ বউ ' বলে ডাকতো আমি ততই জোরে দৌড়াতে থাকতাম। মনে হয় যেনো ক্ষেতের মাঝ খান দিয়ে দৌড়াতে দৌড়াতে আমরা বড় হয়ে গেলাম, সেই তেঁতুল তলা, সেই বট তলা, সেই মাঠ আদৌ খাঁ খাঁ করছে কিন্তু সে নেই, এত অভিমান! এত অভিমান করে থাকতে হবে আমার উপর!!
চোখটা খুলে বাহিরে তাকালাম, ছোটন ছুটাছুটি করছে, আরে সব কিছু ঝাপসা দেখছি কেন!! ওহ ভুলেই গিয়েছিলাম চোখের কোণে পানি জমেছে।
আঁচল দিয়ে পানি মুছে লাঠির উপর ভর করে বাহিরে বের হলাম, হাঁটতে হাঁটতে তেঁতুল তলায় গিয়ে দাঁড়ালাম, কি সুন্দর বিকেল! সূর্যটা মেনে যাচ্ছে,সূর্যের আলোয় নদীর পানি কি চমৎকার ঝলমল করছে, নদীর পানির ধিক চেয়ে আছি, নূর কতই না দুষ্টু ছিলো, তেঁতুল তলায় নদীর পাড়ে যখন এসে বসতাম তখন একের পর এক ঢিল ছুড়ে পানিতে ছোট ছোট ঢেউ তুলে দিতো আর আমায় বলতো বউ দেখ কি সুন্দর প্রেমের ঢেউ খেলে যাচ্ছে।
' হা হা হা ' কতই না দুষ্ট ছিলো।
হঠাৎ পাশ থেকে কেউ বলে উঠলো-

- বুড়িমা কি হয়েছে আপনার! একা একা হাসছেন যে!
- কিছু না বাবা...
রহিমের কথায় মুহূর্ত গুলো পানির সাথে মিশে গেলো, তেতুলতলা থেকে উঠে বাড়ি চলে আসলাম, বাড়িতে ঢুকতেই মাগরিবের আযান শুনতে পেলাম, ওযু করে ভাবির রুমে নামাজ আদায় করলাম, ভাবি আমায় জিজ্ঞেস করলো
- বুবু আপনাকে মুড়ি মেখে দিবো?
- না সই, এখন খাবো না, ছোট্টুকে দে, ছোট্ট মুড়ি মাখা খুব পছন্দ করে, আমি মুনাজাত শেষ করে একটু শুবো, হাঁটু ব্যথা যেনো দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে ।
- বুবু আপনি বিশ্রাম নেন, আমি হাত পায়ে গরম তেল ঢলে দিচ্ছি।
ছোট্টুর বউটা খুব যত্ন করে আমার, কখনো অবহেলা করেনি আমায়, বয়স তো কম হলো না তবুও আমার উপর যেনো তার বিরক্ত আসে না।
খাঁখাঁ দুপুর, নূরের সঙ্গে দৌড়াদৌড়ি করতে গিয়ে হোঁচট খেয়ে পড়েছিলাম, সে কি কাণ্ড! কোথায় আমি কাঁদবো তা না নূর কেঁদে কেঁদে মহল্লার মানুষ এক করলো, হাঁটুতে বড্ড চোট পেয়েছিলাম, কবিরাজ কাকা তেলপট্টি দিয়ে হাঁটু ব্যথা কমিয়ে দিয়েছিলো, তবুও মাঝে মাঝে হাঁটুতে ব্যথা হতো।
গ্রামের প্রত্যেকের মুখে একটায় কথা ছিলো ' বাল্যকাল পার হলেই নূরের সঙ্গে রাফিশার শুভ কাজ সেরে ফেলবো,দুজন দুজন কে চোখে হাঁড়ায়' ইসস সে কি লজ্জা! কথাটা শুনেই দৌড়ে পালিয়ে যেতাম, নূর পিছন পিছন


বই সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্যাদি:

গ্রন্থস্বত্ব 
: লেখক

প্রকাশকাল            
:  ই-বুক পিডিএফ র্ভাসন: ১৫ এপ্রিল ২০১৮                     
:  ডিজিটাল প্রিন্ট র্ভাসন-১:  ১৫ এপ্রিল ২০১৮ (৬ কপি)                       
:  প্রথম প্রেস র্ভাসন প্রক্রিয়াধীন

মুদ্রণে
:  উদীয়মান লেখক ফোরাম

বাঁধাইয়ে
:  ইসমাইল,নীলখেত

মূল্য
:  পিডিএফ র্ভাসন ৬০ টাকা বিদেশে দুই ডলার।
:  ডিজিটাল প্রিন্ট র্ভার্সন ১৮০ টাকা বিদেশে চার ডলার।
:  প্রেস র্ভাসন ১৪০ টাকা বিদেশে তিন ডলার।

আইএসবিএন : 
আবেদন প্রক্রিয়াধীন