বই পরিচিতি:
লেখক পরিচিতি:
"নীল জোত্স্না" বইটি সাজানো হয়েছে
"নীল জোত্স্না" আর "পূর্নিমায় জল" এই দুইটা গল্প দিয়ে।
নীল জোত্স্না:- গল্পটি মূলত সমাজিক গল্প। অনিমা আর অর্ক দুইজন দুইজনকে চায়, কিন্তু
অনিমার বিয়ে ঠিক হয় সোহানের সাথে। বাবা মায়ের
ইচ্ছের সাথে নিজের পছন্দ নিয়ে মানসিক অস্থিয়তায় পড়ে যায় অনিমা। তারপরে? কি করে অনিমা, সোহান
আর অর্ক? ঘটনার ঘটনায় এগিয়ে চলে জীবন।
পূর্নিমায় জল:- এই গল্পটি পারিবারিক সামাজিক গল্প। একটি পত্রিকার সাংবাদিকের সাথে কক্সবাজারে পরিচয় হয় একটি
মেয়ের। তারপরে ভাললাগা, অতঃপর
বিয়ে। জীবন এগিয়ে
চলে। কি হয় তাদের জীবনে? জানতে
হলে গল্পটি এখনই পড়ে ফেলুন
মোঃ রবিউল হোসেন- এর জন্ম ৩ ই জানুয়ারী ১৯৯৩ সালে। পৈত্রিক বাড়ী কুমিল্লা জেলায়। শৈশব কেটেছে চট্রগ্রামের খুলশী থানার অর্ন্তগত পাহাড়ী এলাকায়।
ওমর গনি এম. ই. এস. কলেজ থেকে ২০১১ সালে উচ্চ মাধ্যমিক
পাশ করেন। বর্তমানে
চট্রগ্রামের একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন।
লেখালেখি শুরু করেন স্কুল জীবন থেকেই। প্রথমে লেখালেখি শুরু করেন কবিতা দিয়ে। বর্তমানে গল্প লিখছেন নিয়মিত। ফেসবুকে নিয়মিত লেখালেখি করেন। বাংলাহাব ব্লগে প্রথম প্রকাশিত হয় তাঁর গল্প।
"নীল জোত্স্না" তাঁর রচিত প্রথম
গল্পগ্রন্থ।
বইটি কেন কিনবেন:
যারা বই পড়েন, তাদের কাছে প্রতিটা বই ই
যেন এক একটা পৃথিবী। প্রতিটা বই
পাঠককে নিয়ে যায় অন্য এক রাজ্যে তে। "নীল জোত্স্না" বইটিতে দুইটি গল্প আছে।
"নীল জোত্স্না" ও "পূর্নিমায় জল"। গল্পগুলা অর্থনৈতিক ও সামাজিক গল্প। নীল জোত্স্না গল্পটিতে পাবেন একটি শিক্ষিত মেয়ের মানসিক
টানাপোড়নের কাহিনী। যে ভালবাসে
একজন কে,
কিন্তু পরিবার ও সামাজিকতার কারনে শুরু হয় তার মানসিক অস্থিরতা। কি হয় অনিমা, সোহান আর অর্কের জীবনে? জানতে হলে গল্পটি পড়ে ফেলুন।
পূর্নিমায় জল গল্পটি একটু ভিন্ন আঙ্গিকে করা। একটি পত্রিকার সাংবাদিকের পারিবারিক ও ব্যক্তিগত প্রেমের
কাহিনী নিয়ে গল্পটি সাজানো। কি ঘটে যায়
তার জীবনে? এক বসাতে গল্পটি পড়ে ফেলুন। আশা করি আপনি গল্পটির ভিতরে হারিয়ে যাবেন।
নীল জ্যোৎস্না
পূর্নিমার জল
একটু পড়ে দেখুন:
নীল জোৎস্না
এক
অনিমা কলেজ থেকে বের হয়ে সোজা
কলেজ লাইব্রেরিতে
গিয়ে বসে। যেদিন কলেজে আসে সেইদিনেরই এটা একটা রুটিন কাজ। কারন লাইব্ররিতেই
তার বান্ধবি পপি
আসবে। পপির সাথে অনিমার বন্ধুত্ব অনেক দিনের, সেই ইন্টারে ভর্তি হওয়ার
পর থেকেই দুজনের বন্ধুত্ব হয়, যা এখনও টিকে আছে। তারা একে অপরকে
খুব ভাল করে বোঝে, সেজন্যই
দিন দিন বন্ধুত্বটা আরো গভীর হচ্ছে। অনিমার সুখ- দুঃখ মানেই পপি, আর পপির
সুখ-দুঃখ মানেই অনিমা। এজন্য কলেজে সবাই তাদেরকে মানিক জোড়া বলে ডাকে। অনিমা অনার্স
করছে
বাংলায়, আর পপি অনার্স
করছে অর্থনীতি তে। আর দুজনেই পি
এইচ ডি করছে প্রেম নিয়ে। দুজনেরই কিউট
দুইটা লাভার আছে।
অনিমার লাভার অর্ক তাকে প্রতিদিন
কলেজ থেকে বাসায় যাওয়ার
সময় অনেকটা পথ এগিয়ে দিয়ে আসে। অর্ক আসার আগ
পর্যন্ত অনিমা পপির সাথে গল্প
করে সময় কাটায়। পপির সাথে গল্প
করে নানা বিষয় নিয়ে, এটা-সেটা, পারিবারিক বিষয়
আর ব্যক্তিগত বিষয়
নিয়েও। অর্ককে নিয়েও
পপির সাথে গল্প হয়। পপি অর্ক
ছলেটাকে খুব দেখতে পারে। সে মাঝে মাঝেই
অনিমাকে
বলে- "কেন যে অর্কটার সাথে
তোর আগে আমার সাথে
দেখা হলো না! তাহলে প্রেমটা
অর্কের সাথে আমিই করতাম,
তোকে কোন চান্সই দিতাম না।" আজকে কিছু গরবর
হয়েছে
মনে হচ্ছে। অনিমা অনেকক্ষন
লাইব্রেরিতে বসে আসে, না
পপির দেখা পাওয়া যাচ্ছে, না অর্ক ফোন
দিচ্ছে। অপেক্ষা
করতে ভালো লাগেনা, পৃথিবীতে
অপেক্ষার চেয়ে
বিরক্তকর কিছু নেই আর কোনদিন
কিছু আসবেও না। অনিমা চলে
যাবে কিনা চিন্তা করছে। এমন সময় পপি
হন্তদন্ত হয়ে
লাইব্রেরিতে আসল-
-দোস্ত, সরি।
-দেরি করলি কেন?
-আর বলিস না! ম্যাডাম দেরি করিয়ে দিল। আমাকে এখনই বের
হতে হবে রে।
-কেন?
-ও (পপির লাভার দিপ্ত) চলে আসছে। আমার জন্য
বাইরে দাড়িয়ে
আছে।
-হুম, আচ্ছা। অনিমার মুখটা
কালো হয়ে গেল।
-অর্ক আসে নাই?
-না।
যেই বলা ওমনি অনিমার মোবাইলটা
বাজতে শুরু করলো। পপি
হেসে দিয়ে বললো যান ম্যাডাম, আপনারও ডাক পড়ল।
-হুম, যাইরে।
পপি দ্রুত চলে গেল। এখন প্রতিটা
সেকেন্ড পপির কাছে
মহামূল্যবান, কারন
দীপ্ত অপেক্ষা করছে শুধুমাত্র তারই জন্য। তাছাড়া ভেতর
থেকে দীপ্ত কে দেখার জন্য একটা তাড়া কাজ করে পপির।
অনিমা লাইব্রেরি থেকে বের হয়ে
ফোন রিসিব করলো-
-হ্যালো।
বই সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্যাদি:
গ্রন্থস্বত্ব
: লেখক
: লেখক
প্রকাশকাল
: ই-বুক পিডিএফ র্ভাসন: ১৫ জুন ২০১৮
: ই-বুক পিডিএফ র্ভাসন: ১৫ জুন ২০১৮
: ডিজিটাল প্রিন্ট র্ভাসন-১: ১৫ জুন ২০১৮ (৫ কপি)
: প্রথম প্রেস র্ভাসন প্রক্রিয়াধীন
মুদ্রণে
: উদীয়মান লেখক ফোরাম
বাঁধাইয়ে
: ইসমাইল,নীলখেত
মূল্য
: পিডিএফ র্ভাসন ১০০ টাকা বিদেশে দুই ডলার।
: ডিজিটাল প্রিন্ট র্ভার্সন ২২৫ টাকা বিদেশে চার ডলার।
: প্রেস র্ভাসন ১৭০ টাকা বিদেশে তিন ডলার।
আইএসবিএন :
আবেদন প্রক্রিয়াধীন
আইএসবিএন :
আবেদন প্রক্রিয়াধীন


No comments:
Post a Comment